No Result
View All Result
ডেস্ক রিপোর্ট:
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ররবিবারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি আগামী ৫ মে পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে এই কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা করেন সাংবাদিক নেতারা।
এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন আজ দুপুর ১২টায় তাঁর বাসভবনে সাংবাদিক নেতাদের এক চা-চক্রের দাওয়াত দেন। সেই চা-চক্র থেকে বের হয়ে এসে জাতীয় প্রেসক্লাবে বৈঠকে বসেন সাংবাদিক নেতারা। বৈঠক শেষে বিকেলে সাংবাদিক নেতারা কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদেরকে বাসায় ডেকেছিলেন। তিনি বলেছেন যে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তের অগ্রগতি হয়েছে। এ সময় আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সাগর-রুনি হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। এ পর্যন্ত বাংলাদেশে যত সাংবাদিক হত্যা হয়েছে, তার সবগুলোর তদন্ত শুরু করার জন্যও দাবি জানিয়েছি। এ ছাড়া সাংবাদিকেরা যাতে নিরাপদে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে জন্যও দাবি জানিয়েছি।
তিনি আমাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন এবং বলেছেন এ পর্যন্ত হত্যা করা সব সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের তদন্তের জন্য তিনি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রুত সাগর-রুনি হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের আশ্বাসও দিয়েছেন।’
ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসের কারণে আমরা কাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি স্থগিত করছি। তবে আমরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি না। ৫ মের মধ্যে যদি সাংবাদিক দম্পতির হত্যাকারীরা গ্রেপ্তার না হয়, তাহলে ৬ মে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করব।’
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মনে রাখতে হবে, আমরা আমাদের কর্মসূচি স্থগিত করছি না। যদি ৫ মের মধ্যে দাবি না মানা হয়, তাহলে প্রয়োজনে আমরা সব সংবাদপত্র ও টেলিভিশন বন্ধ রেখে ধর্মঘটও পালন করব।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসে আপনারা আসলেই আশ্বস্ত কি না, জানতে চাইলে ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের মধ্যে ক্ষোভ আছে। আমরা আমাদের ক্ষোভের প্রকাশ করব। কিন্তু আমরা কোনো উচ্ছৃঙ্খল কর্মসূচিতে যেতে পারি না।
এ সময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ), বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাংবাদিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
