পাবনা প্রতিনিধি
পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়াসহ চলনবিল অধ্যুষিত উপজেলা সমূহে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় নলকুপে পানি উঠছে না। শুকিয়ে গেছে নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর, জলাশয়। জমিতে সেচ দিতে কৃষক পড়ছেন বিড়ম্বনায়। এ অবস্থায় বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং চলছে। বিদ্যুৎ না পাওয়ায় অনেক স্থানে কৃষক শ্যালো ইঞ্জিন বসিয়ে পানি উত্তোলন করে জমিতে সেচ দিচ্ছে। এখন বোরো ধানের থোর বের হবার সময়। বিদ্যুতের অভাবে সেচকাজ ব্যাহত হওয়ায় বোরোর ফলন ব্যাহত হবে বলে আশংকা করছেন চাষীরা।
এ অঞ্চলের পুকুর গুলো শুকিয়ে গেছে। ফলে পানির তীব্র সংকট চলছে। এ অঞ্চলে পানির ব্যবহার নিয়ে কাজ করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, বিএডিসির পানাসি প্রকল্প ও বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। পানাসি প্রকল্পের চাটমোহর জোন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে পানির স্তর ৩৫-৪০ ফুট নিচে নেমে গেছে। পানির স্তর অস্বাভাবিক নিচে নেমে গেছে। বোরো আবাদ ব্যাহত হচ্ছে। এতে ফলন বিপর্যয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।