মহেশপুর(ঝিনাইদহ)সংবাদদাতা ঃ
মহেশপুর উপজেলার দারিয়াপুর গ্রামে আজ বৃহস্পতিবার ভোরে আসামী আটক করাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে ইমত্মাজুল ইসলাম(২৮)নামক এক ব্যক্তি নিহত, ৪ জন গুলিবিদ্ধ ও পুলিশসহ অন্ততঃ ২৫ জন আহত হয়েছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে,ভোর রাতে পুলিশ আসামী আটকের নামে দারিয়াপুর গ্রামে অভিযান চালানোর চেষ্টা করলে জামায়াত বিএনপি’র কর্মীরা মাইকে ডাকাত পড়েছে বলে ঘোষনা দেওয়া দেয়।ঘোষনা শুনে গ্রামবাসি ডাকাত ডাকাত বলে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে পুলিশের গাড়ি ভাংচুর করে। পুলিশ এ সময় প্রায় ৯০রাইন্ড টিয়ারসেল, শর্টহগান ও চাইনিজ রাইফেলের গুলি চালায়।পুলিশের গুলিতে নাটিমা ইউনিয়নের দারিয়াপুর গ্রামের গাজিউর রহমান গাজু মন্ডলের ছেলে ইমত্মাজুল ইসলাম মারা যায়।ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১টি পিসত্মল, ২টি রামদা উদ্ধার করেছে এবং ৪ জনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
আহতদের মধ্যে ফাতেমা নামক এক মহিলাকে মহেশপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।গুলিবিদ্ধ দারিয়াপুর গ্রামের বিএনপি কর্মী শহিদুল ইসলাম,জামায়াত কর্মী আতিয়ার রহমান ও চন্ডীপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছিুক নিহতের আত্মীয় স্বজনের অভিযোগ, ভোররাতে পুলিশ গ্রামে অভিযান চালানোর নামে তান্ডব চালায়।এর বিরোধিতা করায় পুলিশ বেপরোয়া গুলি চালায়।
বিএনপি’র উপজেলা সাধারন সম্পাদক মহিউদ্দিন জানান, নিহত ব্যাক্তি নাটিমা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক।
আওয়ামীলীগ নেতা আবুলকাশেম মাষ্টার জানান,পুলিশের গুলিতে ইমত্মাজুল ইসলাম মারা যাওয়ার পর বিএনপি ও জামায়াতের নেতা কর্মীরা দারিয়াপুর গ্রামের আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড নেতা আব্দুল আজিজের বাড়ী ভাংচুর করেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, হরতালে সহিংস ঘটনার আসামী ধরতে গেলে গ্রামবাসির হামলায় তাদের ৮ পুলিশ আহত হয়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায়।পুলিশ এখনও পর্যমত্ম(বিকাল ৪টা) নিহতের লাশ উদ্ধার করতে পারেনি।