মহেশপুরে সীমামত্ম এলাকায় সাপ আতঙ্ক : ৭০জন দংশনে আহত,মারা গেছে ১জন

মহেশপুর(ঝিনাইদহ) উপজেলা সংবাদদাতাঃ

 সাপের দংশনে ৭০জন আহত ও ১জন মারা যাওয়ার পর মহেশপুর উপজেলার সীমামত্মবর্তী দুটি গ্রামে সাপ আতংক বিরাজ করছে।সাপের ভয়ে মানুষজন  বাইরে বেরিয়ে কাজ করতে ভয় পাচ্ছে এবং নির্ঘূম রাত কাটাচ্ছে।

এলাকা বাসী জানিয়েছে,সীমামত্মবর্তী যাদবপুর ইউনিয়নের জলুলী বাগানপাড়া ও পশ্চিমপাড়া এলাকায় গত তিন দিনে নারী পুরম্নষ সহ সাপের কামড়ে আহত হয়েছে প্রায় ৭০ জন। মৃত্যু হয়েছে সাবিনা খাতুন (২০) নামের এক গৃহবধুর।

জলুলী গ্রামের ওয়ার্ড মেম্বার আবু হাসান জানান, গত ৩ দিনে  জলুলীবাগানপাড়া (পশ্চিমপাড়া ) এলাকার সুন্দরী খাতুন, টিটো মিয়া, শফি উদ্দীন, শিরিনা খাতুন, বেবী বেগম, রিনা খাতুন, সাইজুল ইসলাম, তানিয়া খাতুন, রোকসোনা বেগম, মোমেনা খাতুন, জবেদা খাতুন, শুকজান খাতুন, লিপি খাতুন, আফরোজা খাতুন, হালিমা খাতুন, আসমা বেগম, নুর জাহান বেগম, বাবু মিয়া, সফুরা খাতুন সহ ৭০ জন কে সাপে দংশন করেছে। ইতিমধ্যে  বাগানপাড়ার সোহেলের স্ত্রী সাবিনা খাতুনের মৃত্যু হয়েছে। গত দুই দিনে দুটি সাপ মারা হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান।

এলাকাবাসী আরও জানান, অধিকাংশই সন্ধ্যা থেকে রাত ৩টার মধ্যেত্ম সাপের দংশনে আহত হচ্ছে। এলাকাবাসী সাপ মারার চেষ্টা করলেও  প্রায়ই ÿÿত্রেই ব্যর্থ হচ্ছে। কখন কিভাবে এসে কামড় দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে তা কেউই ঠিকভাবে বলতে পারছে না।

জলুলী গ্রামের রঙ্গীলা বেগম নামের এক কবিরাজ সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। তিনি সাপে কাটা রোগী আসলেই গাছের শিকড় খাওয়াচ্ছেন।শিকড় খেয়েই দংশিতরা সুস্থত্ম হয়ে উঠছেন  বলে কবিরাজ  জানান।

যাদবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে দুটি গ্রামের অনেক নারী পুরুষ কে সাপে  দংশন করছে বলে শুনেছি। তবে এ পর্যমত্ম একজন মহিলার মৃত্যু হয়েছে। সাপও মারা পড়েছে দু’টি।

 

Related Posts

Next Post
Plugin Install : Widget Tab Post needs JNews - View Counter to be installed
  • Trending
  • Comments
  • Latest