পাবনা সংবাদদাতা
বিদ্যুতের লোডশেডিং শুধু কৃষি উৎপাদন ও ব্যবসা বানিজ্যই ব্যাহত করছে না। সমাজের সর্বক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়েছে। বিদ্যুতের এই লোডশেডিংয়ে মহা বিপাকে পড়েছে চলতি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার্থীরা লোডশেডিংয়ের কারনে প্রস্ত্ততির শেষ ঝাইাইটা ঠিকমতো করতে পারছে না। পাবনার চাটমোহরে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে শারমিন সুলতানা, শহিদুর রহমান ও মাহবুরা খাতুন। এদের সবার প্রত্যাশা জিপিএ-৫ পাওয়া। কিন্তু তাদের ক্ষোপ বিদ্যুতের উপর। প্রতিদিন সন্ধার আজান (মাগরিবের নামাজ) হবার সাথে সাথে হাওয়া হয়ে যায় বিদ্যুৎ।
রাত ৮টা নাগাদ দেখা মেলে, আবার চলে যায় রাত ১০টায়।ভোর ৩টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত একটানা লোডশেডিং চলে। ফলে পড়াশুনা করতে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। শারমিন, শহিদ আর মাহবুনের মতো একই কথা অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের। বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে কারনেই বিরক্ত তারা। নিরবিছিন্ন নয়, তারা সন্ধা ও ভোর রাতে বিদ্যুৎ চায়। পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন চাটমোহর উপজেলাতেই নয়, বিদ্যুতের লোডশেডিং চলছে ৬টি উপজেলাই পরীক্ষার্থী লোডশেডিংয়ের কারনে চরম বিপাকে পড়েছে।