Breaking »

নারায়ণগঞ্জে জীবিত স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ওসি তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব

ডেস্ক রিপোর্ট:

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত স্কুলছাত্রীর কথিত ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ঘটনায় সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জান ও মামলার নব নিযুক্ত তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক আবদুল হাইকে আদালতে তলব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতের বিচারক কাওছার আলম এ আদেশ দেন।

আদেশের ব্যাখ্যায় আদালত সূত্র জানায়, ওই কিশোরী জীবিত। কিন্তু তিন আসামি কেন তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়ার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছে- এর ব্যাখ্যা চেয়েছেন আদালত। আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে মামলার এজাহার ও জবানবন্দির নথিপত্রসহ তাদের স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে এর ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

এছাড়া আদালত সূত্র আরও জানায়, আগামী সোমবার এ মামলায় গ্রেফতার চার আসামির একত্রে জামিন ও রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলেও আদেশ দেন আদালতের বিচারক।

আদালতের মতে, ভিকটিম যেহেতু বেঁচে আছে সুতরাং হত্যার বিষয়টি মিথ্যা। তাছাড়া ধর্ষণের বিষয়টিও নিশ্চিত নয়। আসামিরা কেন হত্যা ও ধর্ষণের জবানবন্দি দিয়েছে তার ব্যাখ্যা দিতে আগামী দুই কার্য দিবসের মধ্যে সদর মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান এবং তদন্ত কর্মকর্তা এস আই শামীম আল মামুনকে নির্দেশ দেওয়া হলো। আসামিরা যদি আবারও জবানবন্দি দিতে চায় সেই ব্যবস্থাও করা হবে বলে আদালত জানিয়েছেন।

কিশোরী জীবিত উদ্ধারের ঘটনার পরই পুলিশ সুপার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই শামীম আল মামুনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নিয়ে গেছেন। অপরদিকে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত screenshot_199বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

কার্যক্রমের বৈধতা ও যৌক্তিকতার প্রশ্ন তুলে করা আবেদনের (রিভিশন) ওপর শুনানিতে এ আদেশ দেয়া হয়। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর মামলার আইও শামীম আল মামুনসহ দুইজনকে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন আদালত। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রিটকারী আইনজীবী মুহাম্মদ শিশির মনির।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ পাক্কা রোড এলাকার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী গত ৪ জুলাই নিখোঁজ হয়। এক মাস পর আগস্ট শিশুটির বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদি হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। এই মামলায় ৭ আগস্ট পুলিশ গ্রেপ্তার করে ওই স্কুলছাত্রীর কথিত প্রেমিক আব্দুল্লাহ, নৌকার মাঝি খলিল ও অটোচালক রকিবকে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর মডেল থানার এসআই শামীম আল মামুন তিনজনকে রিমান্ডে নেয়। এক পর্যায়ে ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিতে বাধ্য করে। কিন্তু ২৩ আগস্ট ৫১ দিন পর সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে শিশুটি বাড়ি ফিরে আসে। এতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় সর্বত্র।

 রিপোর্ট »শনিবার, ২৯ অগাষ্ট , ২০২০. সময়-১১:৫৬ pm | বাংলা- 14 Bhadro 1427
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
Editor: Abul Hossain Liton, DhakaOffice:Nahar Monzil,Box Nagar, Dhemra, Dhaka.Head Office:Thana Road,Moheshpur,Jhenaidah.Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, mob: 8801711245104. Email: shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP