Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

পাইকগাছায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে সুন্দরবনের ১৩ বনদস্যু নিহত, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার\ ওসিসহ আহত ৬

Khulna 13 Murderfootage-05.10.14পাইকগাছা(খুলনা) সংবাদদাতাঃ

খুলনার পাইকগাছায় এক কলেজ শিক্ষককে অপহরণের করে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রামবাসীদের হাতে আটকের পর গণপিটুনি ও পুলিশে সাথে দু’দফা কথিত বন্দুকযুদ্ধে ১৩ বনদস্যু নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দু’পরিবারের মধ্যে ৪সহোদর রয়েছে। ঈদের আগের দিন রোববার পাইকগাছার জিরবুনিয়া ও সুন্দরবনের পাইকগাছা-কয়রা সীমামত্মবর্তী গাঙরখীর চর এলাকায় ঘটনা দু’টি। এসময় পাইকগাছা থানার ওসি সহ ৬ পুলিশ আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১৭টি দেশি তৈরী বন্দুক, ৫৭ রাউন্ড বন্দুকের গুলি উদ্ধার করেছে। ঘটনায় নিহতদের বিরম্নদ্ধে থানায় পৃথক ৫টি মামলা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে  খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ডুমুরিয়ার ১০ জন যথাক্রমে টিপনা এলাকার আজিজ শেখের দুই ছেলে আখিরুল শেখ (২৬) ও আফজাল শেখ (২৫), সরাপপুর গ্রামের সাত্তার মোলস্নার দুই ছেলে মাহাবুব মোল্যা (৩০) ও মফিজুল মোলস্না, টিপনা গ্রামের সাত্তার শেখের ছেলে শফিকুল শেখ (৪১), মৃত জলিল শেখের ছেলে নাসরুল শেখ (২৪), গোলনা গ্রামের আব্দুল গফফার শেখের ছেলে রুবেল শেখ (২০), ইউসুপ আলী খানের ছেলে জুনায়েদ খান (৩৫), ডুমুরিয়া থানার পিছনের এলাকার কারিমুল (৪৫) ও তেলিখালী গ্রামের দায়েস সরদারের ছেলে হাবিবুর রহমান (৪০), এছাড়া পাইকগাছার দেলুটির মাগুরা গ্রামের  মৃত শরীফ মোড়লের ছেলে সবুর মোড়ল(৪০), দাকোপ কালাবগীর মৃত সুলতান গাজীর ছেলে মোঃ হানিফ গাজী (৩৪) ও মংলার চিকনের দেওয়ান গ্রামের মৃত নান্নু মোলস্নার ছেলে আলিম মোলস্না (২৭)।

থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ৪ অক্টোবর শনিবার রাত ৪টার দিকে উপজেলার দেলুটিয়া ইউনিয়নের জিরবুনিযা গ্রামের জোত্যিষ চন্দ্র ঢালীর ছেলে বটিয়াঘাটার বারহাড়িয়া কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক প্রশান্ত কুমার ঢালীকে (৪৭) মুক্তিপনের দাবিতে তার বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে চলে যায়। পথিমধ্যে নদীতে ভাটা হওয়ায় অপহরণকারীদের ব্যবহৃত ট্রলারটি আটকে গেলে তারা হাঙ্গরখানা চৌমুহিনী এলাকা থেকে জেলেদের একটি নৌকা নিয়ে নদী পার হয়ে বিগরদানা স’মিলের নিকট পৌছানোর পর সকাল হওয়ার উপক্রম হওয়ায় তারা অপহৃত প্রশান্তকে ছেড়ে দেয়। এদিকে প্রশামত্মকে অপহরণের বিষয়টি তাৎক্ষণিক মোবাইলে পুলিশ সহ গোটা এলাকায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসী ও পুলিশ তাদেরকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে ১৩ বনদস্যুকে আটক করে ব্যাপক গণপিটুনিদেয়। এসময় পুলিশের সাথে প্রথম দফা কথিত বন্দুকযুদ্ধে সেখানে আটককৃতদের মধ্যে দু’জন কারিমুল ও হাবিবুর নিহত হয়। এসময় পুলিশ সেখান থেকে ৬টি বন্দুক ও ২৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। পরে দুপুর ১২ টার দিকে পাইকগাছা থানার ওসি সিকদার আককাস আলীর নেতৃত্বে থানা পুলিশ আটক অপর ১১জনকে নিয়ে বাহিনী প্রধান কাশেমকে আটক ও আরো অস্ত্র উদ্ধারে সুন্দরবনে দিকে যায়। এসময় সুন্দরবনের পাইকগাছা ও কয়রার সীমান্তবর্তী গাংরক্ষী চর এলাকায় পৌছালে কাশেম বাহিনী পুলিশের উপর হামলা চালায় বলে দাবি করা হয়। এসময় দ্বিতীয় দফার কথিত বন্দুকযুদ্ধে আটককৃত অপর ১১ জন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তারা ঘটনাস্থলে নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে আরো ১১টি দেশী বন্দুক ও ২৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়। এ সময় থানা ওসি সিকদার আককাছ আলী, এসআই জালাল উদ্দিন, এ এসআই সোহেল রানা, কনস্টেবল সেলিম, তৈমুল হাসান ও সুমন আহত হয়। পৃথক ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মোট ১৭টি দেশী তৈরী বন্দুক, ৫৭ রাউন্ড বন্দুকের গুলি ও ৪টি মোবাইল এবং এর আগে ডাকাতদের ব্যবহৃত একটি ট্রলার উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে সন্ধ্যায় পুলিশের খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশের মহা-পরিদর্শক মনিরুজ্জামান মোলস্না, জেলা প্রশাসক আনিস মাহমুদ, পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) এসএম শফিউলস্ন­াহ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মোহাম্মদ কবির উদ্দীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এর পর নিহতদের লাশ প্রথমে ট্রলারে করে স্ত্তপকারে ও পরে ইঞ্জিন ভ্যানে টেনে-হেঁচড়ে স্ত্তপকারে দড়িদিয়ে বেঁধে থানায় আনা হয়। সামগ্রীক ঘটনায় এলাকায় স্বস্থির পাশাপাশি মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।  নিহতদের কারোর বিরম্নদ্ধে পাইকগাছা থানায় কোন মামলা নেই বলে জানান ওসি। পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এড, স,ম বাবর আলী বলেন, নিহতদের লাশগুলি প্রথমত ট্রলার ও পরে নছিমনে করে যেভাবে টেনে-হেঁচড়ে আনা হয়েছে তা সত্যিই অমানবিক। এসময় তিনি নিহতদের ব্যাপারে কিছুই জানেননা বা তাদের ব্যাপারে তার কাছে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান খান আলী মুনছুর জানান, নিহতদের সবাইকে তিনি চেনেননা। তবে ২জনকে ডাকাত হিসেবে জানেন। বাকীদের তিনি চেনেননা বা তাদের বিরম্নদ্ধে কোন প্রকার অভিযোগও তিনি পাননি। এসময় তিনি আরো বলেন, ১৩ জন মানুষকে এক সঙ্গে ক্রস ফায়ারে দেওয়ার আগে তাদের ব্যাপারে আরো ব্যাপকভাবে খোঁজ-খবর নেওয়ার দরকার ছিল। এছাড়া নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী বলেন, প্রথমত থানা ওসি আটক দস্যুদের গণপিটুনিদিতে বলেছিলেন। অবশ্য ওসি তা অস্বীকার করেছেন।

লাশগুলি ময়নাতদমেত্মর জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে প্রথমত তাদের স্বজনরা লাশ গ্রহনে অনীহা দেখালেও ঈদের দিন স্ব-স্ব স্বজনদের কা রিপোর্ট »বুধবার, ৮ অক্টোবার , ২০১৪. সময়-১১:১৬ pm | বাংলা- 23 Ashin 1421

রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP