Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

কক্সবাজার সমিতি পাড়ায় অবৈধ কটেজ, যতসব অনৈতিক কারবার

এম.শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ১০ মে:

কক্সবাজার শহরতলির সমিতি পাড়ায় সরকারী খাস জমিতে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বিলাস বহুল ১০টি কটেজ। কটেজ গুলো ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে আয় করা হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এসব অবৈধ কটেজ ছাড়া গড়ে তুলা নতুন নতুন ঘরবাড়ীতে নারী নিয়ে দেহ ব্যবসা,মাদক, গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রি সহ বিভিন্ন অপরাধ মুলক করাবার চলছে ওপেন সিক্রেটে। নারী নিয়ে দেহ ব্যবসার পাশাপাশি ওই সব অবৈধ কটেজে অপহরণ করে আটক রাখার পর মুক্তিপণ আদায় ও নারী গণ ধর্ষণের শিকারও হচ্ছে। ঘটছে  মালয়েশিয়া আদম পাচার ও চাঁদাবাজির ঘটনাও। মুক্তিপণ আদায় ও নারী ধর্সণের দায়ে ইতোমধ্যে ৩ ব্যক্তি গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। অপর একজন জামিনে এবং আরো ৩ আসামী পলাতক রয়েছে।

উপকুলীয় সমিতির নেতা, সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলের নেতা নামধারী ব্যক্তিরাই এসব অপকর্মে দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্ব নিয়ে আসছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, কক্সবাজার বিমান বন্দরকে সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন করতে এই সমিতিপাড়াসহ আশপাশ এলাকার বিপুল খাস জমি অধিগ্রহণের প্রসত্মাব চুড়ামত্ম পর্যায়ে থাকলেও অবৈধ দখলদার কারণে এ উদ্যোগ বার বার ফিছিয়ে পড়ছে। প্রসত্মাবিত জায়গায় দিনদিন গড়ে উঠছে স্থাপনা । সে সাথে দখল বিক্রি ও হাত বদল হচ্ছে সরকারী কোটিকোটি টাকার খাস জমি।

একটি দায়িত্বশীল সুত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার শহরের অতিনিকটতম এলাকায় জেলা প্রশাসনের ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত বিপুল পরিমাণ সরকারী খাস জমি সুবিধাভোগী মহল জবর দখল করে রাখার পাশাপাশি সেখানে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বিলাস বহুল দৃষ্টি নন্দন অমত্মত ১০টি কটেজ, বসতবাড়ীসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্টান। এসব অবৈধ কটেজে কিংবা নতুন নতুন গড়ে তোলা বিলাস বহুল বাড়ী গুলোতে প্রশাসনের নজরদারী নেই। এমন কি প্রশাসনের কাছ থেকে কোন ধরনের অনুমতি না নিয়েই প্রতিনিয়ত এসব অবৈধ কটেজ গুলোতে পর্যটক বা অনৈতিক কাজে জড়িতদের (বর্ডার)  ভাড়া দিয়ে আয় করছে প্রতি মাসে লাখ টাকা টাকা। এসব অবৈধ কটেজ বা বিলাস বহুল বাসা বাড়ী গুলোতে চলছে পতিতা ব্যবসা সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ মুলক কর্মকান্ড। বেচা বিক্রি হচ্ছে মাদক দ্রব্য। অপরাধীদের নিরাপদ আসত্মা হিসেবেও ব্যবহার হচ্ছে বেশীর ভাগ কটেজ।

সুত্র মতে, সরকারী খাস জমিতে গড়ে তুলা ওই সব কটেজ কেন্দ্রিক গড়ে উঠেছে  অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, ছিনতাই, বেস্নকমেইলং,ধর্ষণ ও পুলিশকে দিয়ে টাকা আদায়কারী সহ ৫টি চক্র। এসব অবৈধ কটেজে গুলোতে নগদ টাকা পয়সা হারানো সহ অনেক নারী সম্ভ্রমহানি করা হয়েছে।

সর্বশেষ গত বুধবার ৭মে রাতে কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অপহৃত ও মুক্তিপণের জন্য আটকে রাখা ঢাকা নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার এলাকার দুই কিশোরকে বন্দিদশা হতে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ডস্থ সমিতিপাড়ার রংধনু নামের একটি কটেজ হতে বুধবার গভীর রাতে এদের উদ্ধার করা হয়। এসময় অপহরণকারী চক্রের দুই সদস্যকেও বিদেশী মদ, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম, বিপুল পরিমাণ মোবাইল সিম ও নগদ টাকা সহ আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আটককৃতদেরকে ২ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে কক্সবাজার আদালতে সোর্পদ করা হয়।

ঢাকা নারায়ণ গঞ্জের আড়াইহাজার এলাকারৃ কল্যাণদি বালিয়াতলার দুই কিশোর এমরান (১৯) ও দৌলত হোসেন (১৯) গত ২৫ এপ্রিল কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন। এখানে এসে তারা  অপহরণের শিকার হন। অপহরণের শিকার ওই দুই কিশোরের পরিবার টাকা দিতে রাজী হয় এবং মুক্তিপণের টাকা নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার পৌঁছেন। রাত ৯টার দিকে তারা ঘটনাটি কক্সবাজার থানাকে অবহিত করেন।

অপহরণকারী চক্রের কথা মতো পুলিশ সহ অপহৃতদের আত্মীয় স্বজন টাকা নিয়ে বৃধবার রাত ১১টার দিকে শহরের সমিতিপাড়াস্থ ওই রংধুন কটেজে অভিযান চালান। পুলিশ দল সেখানে একটি কক্ষে দীর্ঘ ১২ দিন ধরে আটক রাখা দুই কিশোরকে অনেকটা অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া কিশোরদ্বয় হচ্ছে, নারায়ণ গঞ্জের আড়াই হাজার থানাধীন কল্যাণদি বালিয়াতলা এলাকার ইমান আলী ছেলে এমরান (১৯) ও একই এলাকার মোঃ সাফি উদ্দিনের ছেলে দৌলত হোসেন (১৯)।

এসময় আটক করা হয়, অপহরণকারী চক্রের মুল হোতা সমিতি পাড়া উপকুলীয় সমবায় সমিতির সভাপতি ও সমিতিপাড়া ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ হারম্নন মাঝির ছেলে  সিকান্দর আবু জাফর হিরু (৩৫) এবং রংধনু কটেজ মালিক ও খুলনা ফুলতলা থানাধীন দামুদর গ্রামের মোঃ শফিকুজ্জামানের ছেলে কায়েসুজ্জামান প্রকাশ পিকলু (২৮)কে। এদের বিরম্নদ্ধে কক্সবাজার থানায় পৃথক দুটি মামলাও হয় থানায়। গত ১৫ দিন পূর্বে সমিতিপাড়া রংধনু নামের ওই রংধনু কটেজ থেকে মালয়েশিয়াগামী ১৮ ব্যক্তিকে কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরির্দশক সুনিল চন্দ্র দে উদ্ধার করে ছিল। কিন্তু মোটা অংকের টাকার দেনদরবারে তাদের ছেড়েও দেওয়া হয়েছিল।

এছাড়া ওই সমিতিপাড়া এলাকার কটেজে ২০১২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে গৃহ বধু,দুই সহোদরা সহ ৩ নারী। এ ঘটনা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছে ধর্ষিতা নারী। মামলার ১ আসামী গ্রেফতারও হয়েছে। অনৈতিক কাজ কর্মে আখড়ার হিসেবে পরিচিত বেশীর ভাগ কটেজ হতে সুযোগ বুঝে অনৈতিক সুবিধাও নিচ্ছে সমাজ সর্দার নামধারী এ ধরনের বহু চাঞ্চল্যকর লোমহর্ষক তথ্য।

জলবায়ু উদ্ধাসত্মত্মু হিসেবে একদিকে দখল করা হয়েছে সরকারী খাস জমি,অপর দিকে সরকারী খাস জমিতেই দৃষ্টি নন্দন কটেজ ও বিলাস বহুল বাড়ী এবং স্থাপনা নির্মাণ করে সেখানে চালানো হচ্ছে নারী নিয়ে ব্যবসা সহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ড।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সমিতি পাড়ার দ্বার মুখে এডিবি হ্যাচারী সংলগ্ন ঢাকা উত্তরা এলাকার জিএম আলী হোসেন নামের এক ব্যক্তি বিশাল সরকারী খাস জমি দখল করে সেখানে নির্মাণ করেছে দৃষ্টি নন্দন সেন্ট্রাল বীচ রিসোর্ট। বর্তমানে এখানে বর্ডার নয় ফ্যামেলী বাসা ভাড়া দেয়া হয়েছে।

এই সেট্রাল কটেজের উত্তর পার্শ্বে লাগোয়া চকরিয়ার ইঞ্জিনিয়ার নুরম্নল আবছার নামের ব্যক্তি গড়ে তুলেছেন আরেকটি কটেজ। এই কটেজে খারাপ নারীদের নিয়ে দেহ ব্যবসার করার অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। বিভিন্ন সময় প্রশাসন অভিযান চালিয়ে পতিতা খদ্দের আটকের ঘটনা ঘটেছে অনেক বার। ২৩ ফেব্রুয়ারী ৩ নারী গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এ কটেজে। এ ছাড়া সমিতি পাড়ায় আরো যে সব অবৈধ কটেজ গড়ে উঠেছে এসবের মধ্যে সমিতি পাড়ার মিজানুর রহমানের বস্নু -ওশান কটেজ,মোসত্মাফিজুর রহমানের নিরিবিলি কটেজ,পুলিশ কর্মকর্তা নুরম্নল ইসলামের মনিষা গার্ডেন, ঢাকার পিকলুর রংধনু কটেজ, রামু রাজারকুল আবদুর রহিমের কটেজ, চট্টগ্রামের নুরম্নল হুদার (সিবিআর) কটেজ, শহীদুল বাহার রিসোর্ট সহ ১০ টি কটেজ ও অর্ধশতাধিক বিলাস বহুল বাড়ী নির্মাণ করা হয়েছে। এসব কটেজের মধ্যে বেশীর ভাগই মোটা অংকের অগ্রীম সেলামী নিয়ে মাসিক ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া হয়েছে। উপ-ভাড়া নেয়া ব্যক্তিরা ও ম্যানেজাররা মিলে গ্রাহক ভাগাতে প্রতিযোগীতা মুলক ভাবে নারী সহ বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। সমাজের নীতি নৈতিকতা বির্জনকারী ব্যক্তি ও নারী লোভী একশ্রেণীর পর্যটকই হচ্ছে এসব অবৈধ কটেজের বর্ডার কিংবা গ্রাহক। সমিতির পাড়ার অবৈধ কটেজ গুলোকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অমত্মত ৫টি সিন্ডিকেট।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একটি সিন্ডিকেট দালাল নিয়ন্ত্রন করে। সত্মরে সত্মরে অঘোষিত দালাল  নিযুক্ত করে পর্যটক ও খারাপ প্রকৃতির লোকজনকে বিভিন্ন স্থান থেকে বর্ডার হিসেবে নিয়ে আসে কটেজ গুলোতে। অপর সিন্ডিকেট রয়েছে,পর্যটক কিংবা বর্ডারদের জিম্মি করে নগদ টাকা মোবাইল সেট সহ মুল্যবান জিনিষপত্র ছিনিয়ে নেয়া। ৩য় সিন্ডিকেট রয়েছে,গভীর রাতে কটেজ গুলোর রম্নমে গিয়ে বর্ডারদের কাছ থেকে জিম্মি করে টাকা আদায়। নারী কিংবা কোন অনৈতিক কাজে হাতে নাতে ধরে ফেলে ছবি তুলে মান সম্মানহানি কিংবা খারাপ নারী দিয়ে হয়রানীর হুমকি দিয়ে বেস্নকমেইলিং করা এবং ফহরণ করে কটেজ রম্নমে আটকরেখে নির্যাতন চালিয়ে মুক্তিপণ আদায় করা। এছাড়া এই চক্র গুলো এরা কোন কোন সময় সুযোগ বুঝে অপহরণ ও গণ ধর্ষণের মতো ঘটনাও সংগঠিত করে যাচ্ছে। সর্বশেষ চক্রটি , ওই সব কটেজের বর্ডাদের কাছে নারী সরবরাহ দেয়। পরে এই চক্র আবার পুলিশ কিংবা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে খবর দেয়। সংস্থার লোকজন নিদ্দিষ্ট কটেজ ও চিহ্নিত কক্ষে অভিযান চালান। বর্ডাদের দুর্বলতার সুযোগে গ্রেফতারের হুমকি দিয়ে আদায় করে মোটা অংকের টাকা। এ ধরনের অহরহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় লোকজন।

রম্নম ভাড়া নেওয়া বর্ডারদের কাছ থেকে জিম্মি করে আদায়কৃত টাকা কটেজ ম্যানেজার,সিন্ডিকেট সদস্য ও কতিপয় পুলিশ সদস্যরা ভাগভাটোয়ারা করেন বলে একাধিক সুত্রে প্রকাশ। এমন ঘটনা বেশীর ভাগ প্রকাশ না পাওয়া সমিতিপাড়া কেন্দ্রিক অপরাধ গুলো রয়ে যাচ্ছে উর্ধবতন প্রশাসনের দৃষ্টির আড়ালে। ফলে বার বার পায় পেয়ে যাচ্ছে অপরাধকারী এবং প্রতারক চক্রের সিন্ডিকেট গুলো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,অবৈধ কটেজ গুলো নির্মাণে কিংবা কটেজ হিসেবে কোন অনুমতি নেননি কথিত মালিকরা। এছাড়া অবৈধ কটেজ গুলোতে বিভিন্ন বর্ডারদের রম্নম ভাড়া দেয়া হলেও সেখানে বর্ডারদের নিবন্ধ বহিতে নাম ঠিকানা ও পরিচয় সংরক্ষন করা হয়না। এমনকি থানা পুলিশের কাছেও নিবন্ধন বহি গুলো প্রর্দশন কিংবা দসত্মমখত নেয়ার প্রয়োজনও মনে করেন না কর্তৃপক্ষ। ফলে অপরাধের আসত্মানা হিসেবে পরিচিত কটেজ গুলোতে অপরাধ করেই নিরাপদে সরে পড়ে কিংবা পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধী চক্র। তবে কটেজে নারী ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত উপকুলীয় সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি বেলাল উদ্দিন কারাগারে ও বর্তমান সাধারন সম্পাদক শফি আল সোনা মিয়া জামিনে আছেন। এছাড়া উপকুলীয় সমবায় সমিতির বর্তমান সভাপতি সিকান্দর আবু জাফর হিরম্ন এবং রংধনু কটেজ মালিক কায়েসুজ্জামান প্রকাশ পিকলু গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। একই মামলায় আরো ৭ আসামী পলাতক রয়েছে।

কক্সবাজার পৌরসভা ১নং ওয়াডের কাউন্সিলর আকতার কামাল জানান, কিছু কিছু কটেজে অবৈধ কর্মকান্ডের বিরম্নদ্ধে আমরা সোচ্চার। কটেজের নামে অনৈতিক ব্যবসা না করার জন্য জুমার নামাজের খুতবায়ও বার বার নিষেধ করা হয়েছে। এর পরেও কিছু মালিক কটেজের নামে সমাজ বিরোধী কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি স্বীকার করেন। এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের হসত্মক্ষেপও কামনা করেছেন।

জেলার আলোচিত ও এক সময় অতি পরিচিত বৃহত্তর সমিতি পাড়া। ‘৯১ সালে প্রলংকরি ঘূর্ণিঝড়ের পর জেলার কুতুবদিয়া,মহেশখালী সহ উপকুলিয় এলাকার বেশ কিছু পরিবার ওইসব এলাকার সরকারী খাস জমি দখল করে সেখানে গড়ে তুলে আবাস স্থল। পর্যাক্রমে সেখানে বিভিন্ন প্রভাবশালী  বিত্তবানরাও স্বল্প মুল্যে জমি কিনে সেখানে স্থায়ী স্থাপনা সহ অট্টালিকা নির্মাণ করা হয়। অবৈধ স্থাপনার মধ্যে হোটেল, কটেজ, দোকান ঘর, ইমারত ও কাঠ বাঁশের তৈরী স্থাপনা গুলো ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে আয় করছে বিপুল অংকের টাকা।

প্রসংগত,ওই অবৈধ কটেজ গুলোতে অনৈতিক কাজ কারবারের পাশাপাশি নারীর সম্ভ্রম হারানোর ঘটনা ঘটছে। স্বামীর সামনে স্ত্রীকে,বোনের সামনে বোনকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে বেশী ভাগই লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছে গেছে লোক লজ্জায়।

 রিপোর্ট »শনিবার, ১০ মে , ২০১৪. সময়-১০:৪৫ pm | বাংলা- 27 Boishakh 1421
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP