Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

চলনবিলে কৃষকের ঘরে সোনার ধানে গিয়াছে ভরি

সাইফুল ইসলাম, সিংড়া (নাটোর) 

শস্য ও মৎস্য ভান্ডার খ্যাত দেশের সর্ববৃহৎ বিলাঞ্চল চলনবিল। ইতোমধ্যে সবুজ আর সোনালী রঙে চলবিলের মাঠ রঙিত হয়েছে। গরম আর প্রখর তাপমাত্রা হওয়ার কারণে, ধান পাকতে এতোটুকু বিলম্ব হচ্ছে না কৃষকের। ইতোমধ্যে চলনবিলে পুরোদমে আগাম জাতের বোরো ধান কাটায় এই অঞ্চলে ধান কাটা উৎসব শুরম্ন হয়েছে। যারা এখনও ধান কাটা শুরম্ন করেনি, সে সব কৃষকরা ধান উঠানোর জন্য বাড়ির আঙিনায় খোলা তৈরী করতে ব্যসত্ম। আর যারা আগাম জাতের ধান চাষ করেছিলো, সে সব কৃষকের বাড়ির আঙিনায় নতুন বোরো ধান আসায় কৃষাণ বধুঁদের ব্যসত্মতা বাড়ার পাশাপাশি মনে যেন আনন্দের ঝিলিক লেগেছে। তবুও কৃষকের মনে হাসি নেই। কারণ গত দু’দফায় ঝড় আর বৃষ্টিতে এই অঞ্চলের কৃষকদের কাঁচা ও আধা পাকা ধান মাটির সাথে শুয়ে পড়ায় কৃষকদের যেমন বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে তেমনি ভাবে শ্রমিক সংকটে বিপাকে পড়েছে চলনবিলাঞ্চলের প্রায় লÿাধিক কৃষক। হালকা বৈশাখী ঝড়ে যেসব জমির ধান মাটিতে শুয়ে পড়েছে, সে সব জমির ফলন কিছুটা কম হওয়ায় ব্যাংক ঋণ পরিশোধ নিয়ে চিমত্মা বেড়েছে কৃষকদের। এখন এই অঞ্চলের কৃষকরা শুধু ঝড় আর শিলা বৃষ্টির আতঙ্কে ভুগছে। কারও কারও জমির ধান পুরোপুরি না পাকলেও শিলের ভয়ে আধাপাকা ধান কাটছে। এতে করে ফলন কম হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, ধান ৫০ভাগ থেকে ৬০ভাগ পাকলেই কাটা যাবে। ফলনে কোনো সমস্যা হবে না।

চলনবিলের কৃষকরা বলছে, হাইব্রীড জাতের ধান চাষ করতে পানি বেশি লাগে এবং দেরিতে পাকার কারণে এই অঞ্চলের কৃষকরা মিনিকেট, পারিজা ও বিআর-২৮ ধান এবারে বেশি চাষ করেছে। তাই নিদিষ্ট সময়ের আগেই কৃষকরা বোরো ফসল ঘরে তুলতে পারছে। উপজেলার সাতপুকুরিয়া গ্রামের কৃষক টগর হোসেন বলেন, মিনিকেট প্রতি বিঘায় তার ফলন হয়েছে ২২ থেকে ২৫মন। বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ৭’শ টাকা দরে।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, পাকা ধানের সমাহার। কিছু কিছু বোরোর মাঠে কৃষকরা প্রতিদিন নিজ জমির ধান দেখছেন, আর কাটার অপেক্ষার প্রহর গুনছে। কেউ বা আবার ধান কাটার জন্য শ্রমিকদের সন্ধান করছে। আবার অনেক কৃষক প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে পাকা ধানগুলো মাঠ থেকে ঘরে তুলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে।

কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, শস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিলের তাড়াশ, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, উলস্নাপাড়া পাবনার ফরিদপুর, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, নাটোরের বড়াইগ্রাম, সিংড়া, গুরম্নদাসপুর ও নওগাঁর আত্রাই এবছর প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিংড়া উপজেলাতে ৩৭হাজার ২’শ পঞ্চাশ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে।

              সিংড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সুব্রত কুমার সরকার জানান, গত বারের তুলনায় এবার ভালো ফলন ও দাম রয়েছে। তাছাড়া পোকা মাকরের আশংকা না থাকায় এবং সঠিক সময়ে সার,বীজ কৃষকদের মাঝে সরবরাহ করায় এই অঞ্চলের কৃষকরা ভালো ফলন ফলাতে সক্ষম হয়েছে।#

 রিপোর্ট »মঙ্গলবার, ৬ মে , ২০১৪. সময়-২:৫৭ pm | বাংলা- 23 Boishakh 1421
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP