Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

গাইবান্ধায় চাষিরা পাটের লোকসান পুষিয়ে নিচ্ছেন পাটখড়ি বিক্রি করে

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধায় পাটখড়ির নানামুখী ব্যবহারে চাষিদের কাছে পাটখড়ির (শোলা) কদর বেড়েছে। হাট-বাজারে প্রতি মণ পাটখড়ি ৩০০ টাকা থেকে সাড়ে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে যে দামে পাট বিক্রি হচ্ছে তাতে উৎপাদন খরচ উঠছে না। পাটখড়ি বিক্রি করে চাষিরা পাট উৎপাদনের লোকসান পুষিয়ে নিচ্ছেন। সোনালি অাঁশ পাট এখন গলার ফাঁস হয়ে ঝুলছে বলে জানিয়েছেন এ অঞ্চলের পাটচাষিরা। গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এই জেলার হাটবাজারে প্রতি মণ পাটখড়ি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পলাশবাড়ী উপজেলার হাসবাড়ি গ্রামের কৃষক শরিফুল জানান, তিনি গত বছর দুই একর (ছয় বিঘা) জমিতে তোষা পাট আবাদ করে ফলন পেয়েছিলেন ৪২ মণ। প্রতি মণ গড়ে দুই হাজার টাকা দরে বিক্রি করেছিলেন ৮৪ হাজার টাকা। হালচাষ থেকে শুরু করে পাট ঘরে তোলা পর্যমত্ম দুই একর (ছয় বিঘা) জমিতে পাট উৎপাদন বাবদ খরচ পড়েছিল ৭২ হাজার টাকা। পাট বিক্রি করে লাভ হয়েছিল ১২ হাজার টাকা। ওই পরিমাণ জমির পাটখড়ি বিক্রি করে পেয়েছিলেন আরো প্রায় ৩২ হাজার টাকা।
কিন্তু এ বছর একই পরিমাণ জমিতে পাট আবাদ করে লোকসান দিতে হয়েছে প্রায় হাজার টাকা। তিনি জানান, এ বছর পাটের ফলন হয়েছে কম। দুই একর জমিতে পাট পেয়েছেন মাত্র ৪০ মণ। উৎপাদন ব্যয় হয়েছে ৭১ হাজার টাকা। প্রতি মণ পাট এক হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি করে পেয়েছেন ৪৮ হাজার টাকা। এ বছর পাট উৎপাদন বাবদ তার লোকসান হয়েছে প্রায় ২৩ হাজার টাকা। তবে ওই পরিমাণ জমির পাটখড়ি বিক্রি করে তিনি এ বছর পেয়েছেন প্রায় ৪২ হাজার টাকা। শুধু শরিফুলই  নয়, পাট আবাদ করে লোকসানের মুখে পড়েছেন জেলার অনেক পাটচাষি।এদিকে পাটখড়ির চাহিদা ও দাম বেশি হওয়ায় জেলার চাষিরা মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক ও গ্রামীণ সড়কের দুপাশে পাটখড়ি ছড়িয়ে রোদে শুকাচ্ছে। পরে তারা বিক্রি করে পাটের লোকসান পুষিয়ে নিচ্ছেন। বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল হুমায়ুন খালেদ (অব.) জানান, কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে পাট কিনতে বিজেএমসির ২৭টি জুট মিল সারা দেশে ১৭৫টি পাট ক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে পাট ক্রয় করছে। পাট বিক্রি করে চাষিদের লোকসান গুনতে হচ্ছে এ তথ্যের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে তিনি বলেন, চাষিরা যে পাট বিক্রি মূল্য হিসাব করে তার সঙ্গে কিন্তু পাটখড়ির (শোলার) দাম ধরে না। সেই পাটখড়িও অনেক দামি। এক মণ পাটের সঙ্গে প্রায় দুই মণ পাটখড়ি পাওয়া যায়। প্রতি মণ গড়ে ৩০০ টাকা হিসেবে এক বিঘা জমির পাট থেকে চার হাজার ২০০ টাকার পাটখড়ি পাওয়া যায়। কিছু কিছু এনজিও সীমিত আকারে বিদেশে পাটখড়ি রপ্তানি করছে। বহুমুখী ব্যবহারের কারণে পাটখড়ির চাহিদা ও কদর অনেক বেড়েছে। উপজেলার পাট ব্যবসায়ীরা জানান, বিজেএমসির জুট মিলের পাট ক্রয়কেন্দ্রগুলো বাকিতে পাট ক্রয় করছে। আজ পর্যমত্ম মিলগুলো গত বছরের বাকি টাকা পরিশোধ না করায় ফড়িয়া ও ব্যবসায়ীরা আর বাকিতে পাট বিক্রি করছে না। ফলে পাট ক্রয়কেন্দ্রের কর্মকর্তারা হাত গুটিয়ে বসে আছেন। বিজেএমসির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, সরকার প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান না দেয়ায় শুধু গাইবান্ধ নয়, সারা দেশের ১৭৫টি পাট ক্রয়কেন্দ্রেই এ সমস্যা বিরাজ করছে। পাট ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, সময়মতো সরকার টাকা জোগান না দেয়া, অদক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং দূরদর্শিতার অভাবে সরকার নিয়ন্ত্রিত পাট কলগুলো সময়মতো পাট কিনতে পারছে না। তবে পরে চড়া দামে পাট কিনে বিজেএমসিকে মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান দিতে হবে। পাটের দাম কমার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর তারা দুই হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা মণ দরে পাট কিনেছিনে। কিন্তু হঠাৎ করে দাম কমে যাওয়ায় সে পাট বিক্রি করা যায়নি। পরে দাম বাড়ার আশায় পাট গুদামে মজুদ করে রাখলেও আর দাম বাড়েনি। চাহিদা না থাকায় সেই পাট এখনো বিক্রি করা যায়নি। এ কারণে ব্যবসায়ীরা নতুন পাট কিনতে পারছেন না বলে বাজারে পাটের দাম কমে গেছে। বিভিন্ন মহল থেকে পাটের দাম কমার পেছনে ব্যবসায়ীদের কারসাজি থাকা প্রসঙ্গে তারা জানান, পাটের দাম কমে যাওয়ার ব্যাপারে তাদের কোনো হাত নেই।

 রিপোর্ট »বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বার , ২০১৩. সময়-১১:১৩ pm | বাংলা- 10 Ashin 1420
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP