Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

দুই দলের দুর্নীতি নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ

ডেস্ক রিপোর্ট :জাতীয় সংসদে সরকার ও সরকারপ্রধানের নিকটাত্মীয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের আর্থিক লুটপাটের গুরুতর অভিযোগ এনেছে বিএনপি।
পাল্টা অভিযোগ এনেছে সরকারি দল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর নিকটাত্মীয় এবং দলীয় নেতাদের আর্থিক দুর্নীতি-সম্পর্কিত সংবাদপত্রের প্রতিবেদন তুলে ধরে জবাব দিয়েছেন তাঁরা।
এসব বিতর্ক ধরে হঠাত্ করে বাজেট অধিবেশনটি উভয় দলের রাজনীতিবিদদের দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশের স্থানে পরিণত হয় আজ বৃহস্পতিবার।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ অনুষ্ঠিত অধিবেশনে এসব কথা বলা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় সংসদে উপস্থিত ছিলেন। তবে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া অনুপস্থিত ছিলেন।
বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি দলীয় সাংসদ সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া ক্ষিপ্রগতিতে সরকারের মন্ত্রী, দলীয় সাংসদদের বিভিন্ন সমালোচনার জবাব দেন। তারপর শুরু করেন দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আপ্যায়ন-ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আশিফা আশরাফী। বলেন, তাঁদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে খরচ করেন ৮০ লাখ টাকা। আর শেখ হাসিনা খরচ করেছেন সাত কোটি ৮০ লাখ টাকা। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আপনার খরচে দেখা গেছে, প্রতিবছর ২ লাখ ১৩ হাজার ৬৯৮ টাকা ব্যয় হচ্ছে আপ্যায়ন খাতে। এই হিসাবে ২০১১-১২ অর্থবছরে খরচ হয়েছে সাত কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর আগের সরকারের সময়ে যা খরচ হয়েছে এটি তার ১০ গুণ। অথচ খালেদা জিয়াকে ২০০৪-০৫ অর্থবছরে ৮৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। সুখের খবর হলো ৫ লাখ উদ্বৃত্ত ছিল।
আশিফা আশরাফী বলেন, ‘তারেক রহমান বিদেশে স্ত্রী-সন্তানসহ ভাড়া বাড়িতে থাকেন। সজীব ওয়াজেদ জয় আর পুতুলের বাড়ি ভাড়ার উত্স কী? ২০০৬ সালে ভার্জিনিয়ার একটি শহরে ১০ লাখ ডলারে একটি বাড়ি কিনেছেন জয়, ভার্জিনিয়ার আরেকটি শহর আলেকজান্দ্রিয়ায় ১০ লাখ ডলারে আরেকটি বাড়ি কিনেছেন সজীব ওয়াজেদ। ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে ফ্লোরিডায় ৫ লাখ ডলার খরচ করে বাড়ি কিনেছেন জয়। ১৬ অক্টোবর ২০০৪ সালে সাড়ে ১০ লাখ ডলার খরচ করে ফ্লোরিডায় আরেকটি বাড়ি কিনেছেন জয়। এ ছাড়া একই অঙ্গরাজ্যে আরো তিনটি বাড়ি আছে তার।’
বর্তমান সরকারের আমলে ব্যাংক খাতের কথা তুলে ধরে পাপিয়া বলেন, ‘আজকে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোর দিকে তাকাই, ৭২ থেকে ৭৫ এর ব্যাংক-ডাকাতের পাল্ল¬ায় পড়ে আজকের ব্যাংকগুলো জামানতশূন্য ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ক্ষমতাসীন কর্তাব্যক্তির চাচা পরিচয় দিয়ে, সরকারি দলের সাংসদ নামমাত্র সম্পদ দেখিয়ে ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে এক হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। দুর্নীতির দরবেশ সালমান এফ রহমান বেক্সিমকো গ্রুপের মালিকানাধীন জিএমজি এয়ারলাইন্স আর ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের নামে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি হামিদ রিয়েল এস্টেটের মালিকের কাছে ব্যাংকের পাওনা হয়েছে ১৭০ কোটি টাকা। আওয়ামী-বাকশালীদের হরিলুটে ব্যাংকিং খাত আজ পথে বসেছে। বিসমিল্ল¬াহ গ্রুপের ২০০ কোটি টাকা দেখা গেছে প্রিমিয়াম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ বি এম ইকবাল সুন্দর করে তুলে নিয়েছেন। ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যাংকগুলো থেকে তুলে দেউলিয়া বানিয়েছে এরা।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সমালোচনা করে আশিফা আশরাফী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন। সাংবাদিকেরা যখন জানতে চান তখন উনি বলেন, “আমার বলার কিছু ছিল না। চেয়ে চেয়ে দেখলাম ৭২-এর ব্যাংক-ডাকাতরা ডিজিটাল কায়দায় ব্যাংক থেকে জামানত তুলে নিয়ে গেছে”।’
টেলিকম খাতের আইজিডব্লি¬উ, আইসিএক্স, আইআইজির লাইসেন্স সরকারদলীয় সাংসদেরা নিজেদের নামে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন আশিয়া আশরাফী।
জিয়াউর রহমানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান পশ্চিম আকাশের সূর্য, রাতের তারা। আর যাঁরা তাঁর সমালোচনা করেন, তাঁরা ঝিঁঝি পোকা, কিম্ভূতকিমাকার অন্ধকারের প্যাঁচা।’
প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদের আয় এবং সম্পত্তি নিয়ে আনা অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে আওয়ামী লীগের সাংসদ আবদুর রহমান বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ আমেরিকায় সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়েছেন। ওইটা বোঝার ক্ষমতা রাতজাগা পাপিয়াদের নাই। আমেরিকায় ডাউন পেমেন্ট (্এককালীন কিছু জমা) দিয়ে বাড়ি কেনা যায়।’ তিনি বলেন, ‘পুতুল এবং তার স্বামী চাকরি করেন। সায়মা ওয়াজেদের প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত হয়।’
আবদুর রহমান বলেন, ‘ক্ষমতা ছাড়ার আগে খালেদা জিয়া দেশের বাইরে দুই হাজার ৮৮২ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। ক্ষমতা ছাড়ার আগে বিদেশ সফরে ৩৭টি স্যুটকেস খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গীর কাছে ছিল। আর, তাঁর (খালেদা জিয়া) কাছে আরও ২২টি স্যুটকেসে ছিল দুই হাজার ৮৮২ কোটি টাকা। তিনি বলেন, তারেক জিয়া লন্ডনে থাকেন। ২২ হাজার পাউন্ড মাসে ভাড়া দিয়ে লন্ডনে থাকেন। যদিও স্বনামে-বেনামে ব্রিজটনে আটটি বাড়ি আছে। এই টাকা কোথা থেকে আসে’— প্রশ্ন করেন তিনি।
তারেক রহমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রসঙ্গে রহমান বলেন, ‘তিনি কী ডিগ্রি নিয়েছেন? তিনি কী চাকরি নিয়েছেন? মানি লন্ডারিংয়ের জন্য এফবিআই তাঁদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছে। ‘প্রথম আলো’, ‘জনকণ্ঠ’, ‘ইত্তেফাক’, ‘ইনকিলাব’সহ পত্রিকার সেই সময়কার সংবাদ উদ্ধৃত করে আবদুর রহমান বলেন, ‘তারেকের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে দুই হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ রয়েছে। দুবাইয়ে দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে তারেক রহমান বৈঠক করেছেন। তারেকের স্বেচ্ছাচারিতার অনেক নজির বগুড়ায় রয়েছে। তারেকের একটি বাড়ি আর তাঁর স্ত্রীর পাঁচটি। খালেদা জিয়ার নির্দেশে বসুন্ধরার কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা চেয়েছিল তারেক।’
আবদুর রহমান বলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর জিজ্ঞাসাবাদে জানান, নির্বাচনের জন্য পাকিস্তান ও সৌদি আরব থেকে ৩০০ কোটি টাকা নিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য ‘লজ্জা ভাঙাতে’ বিএনপি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই নির্বাচন হবে। এই জায়গায় কোনো ছাড় নেই।
বলেন, ‘আসবেন তো আসবেন। পানি খাবেন তো খাবেন। পানি ঘোলা করে খাবেন।’
আওয়ামী লীগের অপর সাংসদ সেগুপ্তা ইয়াসমিন বলেন, ‘স্বাধীনতার পর উনাদের নেত্রী দিনের পর দিন ৩২ নম্বরে গিয়ে বসে থাকতেন। বঙ্গবন্ধুকে বাবা ডেকে বলত, আমাকে আমার স্বামীর ঘরে ফিরিয়ে দেন। জয় বাতরুম করে দিয়েছিল। তিনি বাতরুমে নিয়ে ধোয়াচ্ছিলেন। তখন আমাদের নেত্রী (প্রধানমন্ত্রীকে ইঙ্গিত করে) বলেন, “চাচী করেন কী, করেন কী”?’
এ পর্যায়ে বিএনপির সাংসদেরা হইচই করেন। মওদুদ আহমদের নেতৃত্বে তাঁরা ওয়াকআউট করেন। এরপর তাঁরা আর সংসদে ফেরেননি।
বাজেটের ওপর আরও আলোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী আবদুল হাই, আওয়ামী লীগের দলীয় সাংসদ সারাহ বেগম কবরী, ছাইদুল হক, আশরাফ আলী খসরু, ফজলে রাব্বী মিয়া প্রমুখ। সৌজন্যে প্রথম অালো অন লাইন

 রিপোর্ট »বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন , ২০১৩. সময়-১১:৪৫ pm | বাংলা- 30 Joishtho 1420
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP