Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

ফুলছড়ির ব্রম্মণপুত্রের বালুময় চরে চাষ হচ্ছে কুমড়া

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ ব্রম্মণপুত্রের বুকে জেগে উঠা চিক চিক বালুচরে কুমড়া চাষ হচ্ছে। লিক লিক করে বেড়ে উঠেছে কুমড়া গাছের ডগাগুলো। ফুলে ফলে ছেয়ে আছে কুমড়া ক্ষেত। দেখে দু;নয়ন মুগ্ধ হয়। কি মনোরম দৃশ্য। গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলের গরীব পরিবারগুলো কুমড়ার ডাগার মত বাড়ছে আগামীর রঙীন স্বপ্ন। উপজেলার সাত ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রম্মণপুত্র নদের বিস্তীর্ণ এলাকায় শুস্ক মৌসুমে কোনো জল থাকে না। যেদিকে তাকানো যায় শুধু বালি আর বালি। কিন্ত সেই ধু ধু বালুচরে স্বপ্ন গেড়ে গেড়ে কৃষকরা তুলে আনছেন সোনার ফসল। ফলে কৃষাণীদের মুখে হাসি লেগেই আছে প্রতিটি মুহুর্তে। এক সময় ব্রম্মণপুত্র নদীর চরে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো কাশিয়ার জায়গা দখল করে নিয়েছে বিভিন্ন ধরণের ফসল। বালুময় চরে এখন ধান, পাট, গম, সরিষা, আলু, কুমড়া, বাদম, ভুট্টাসহ উৎপাদন হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির ফসল। বিভিন্ন এলাকা ঘরে এবং নারী কৃষাণীদের সঙ্গে কথঅ বলে জানা গেল তাদের এই উৎপাদনের সংগ্রাম ও সাফল্যের নেপথ্য কাহিনী। আর এ নেপথ্য কাহিনীর নায়ক হচ্ছেন গাইবান্ধার বেসরকারি সংস্থা গণউন্নয়ন কেন্দ্র। ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের নীলকুঠি, সাঙ্গিভাঙ্গা,চিথুলীয়া গ্রামের সামনে ব্রম্মণপুত্র নদের বুকে জেগে উঠেছে বিশাল চর। আর সেই বালুময় চরগুলোতে মিষ্টি কুমড়ার আবাদের ধুম পড়েছে। ফুলছড়ি এরিয়ার সিডি প্রজেক্টের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর ফাতেমা বেগম জানান, গণউন্নয়ন কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে দেয়া বিদেশি মিষ্টি কুমড়া, গাজর, ফুল কফির দুইশ চারা পেয়ে ওই গ্রামের ৮৩টি পরিবার এখন কৃষক পরিবার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। পাশাপাশি বিনামূল্যে তাদের বীজ, সার, শ্যালো মেশিনের তেল খরচেরও টাকা দেয়া হয়। এ চরগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, যত দুর চোখ যায় তত দূর শুধু মিষ্টি কুমড়া আর মিষ্টি কুমড়া। কৃষাণীরা সারাদিন গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত রয়েছে। শ্যালো মেশিন থেকে পানি তুলে বালতি আর কলসী করে পানি ঢালছে প্রতিটি গাছের গোড়ায় গোড়ায়। ঠিক সে সময়টা তাদের বেকারত্ব অভাব-অরটন বয়ে আনত, ঠিক সেই সময় তাদের হাতে এত কাজ যে, পেছন ফিরে তাকানোর সময় নেই। আর কয়দিন পরেই হাতে আসবে কুমড়া বিক্রির টাকা। নীলকুঠি গ্রামের মিনারা বেগম, সুমিতা, হাসিনা, শাহিনুর, অজ্ঞনা রাণীসহ আরো ৮৩ জন নারীর সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় গড়ে উঠেছে এ মিষ্টি কুমড়ারবাগান। গণউন্নয়ন কেন্দ্র থেকে চারা পেয়ে তারা চর গজারিয়ার বালুময় জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চারাগুলো আশ্বিন মাসে রোপণ করেন। আর এসপি হিসেবে কাজ মোস্তফা আকন্দ। তিনি জানান, জমি তৈরি থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত প্রত্যেক সদস্যর প্রায় এক হাজার দুই শত টাকা ব্যয় হয়েছে। সে হিসেবে ৮৩ জন সদস্যর ব্যয় হয়েছে প্রায় ৯৯ হাজার ৬০০ টাকা। সদস্যরা আশা করছেন আগামী ফাল্গন মাসে মিষ্টি কুমড়া বাজারজাত করা সম্ভব হবে। তবে’ এসকষ জাতের গাছটিতে ফুল ধরেছে এবং তা আগামী মাসে বাজারে বিক্রি করা যাবে। জমি থেকে যাতে মিষ্টি কুমড়া চুরি না হয় সেজন্য পাহারা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর পাহারাদারের কাজ করছেন ওই মহিলাদের স্বামীরা। পালাক্রমে তারা রাতে এ দায়িত্ব পালন করে থাকবেন বলে জানা যায়। রাতে পাহারার পাশাপাশি তারা দিনে স্ত্রীদের সঙ্গে জমিতি পানিও দিচ্ছেন তারা। কেউ পানি ঢালছে, কেউবা গাছের গোড়া থেকে বালি সরিয়ে দিচ্ছেন আবার কেউ এটেলমাটি এনে গাছের গোয়ায় দিচ্ছেন। এভাবেই সারাদিন তারা হাসিখুশির মধ্যে থেকে কাজ করছেন। কুমড়ার দামও পাবেন ভাল। সেখানে তাদের উপদেষ্টা গণউন্নয়ন কেন্দ্রের আরএসপি সভাপতি নীলকুঠি গ্রামের পরিশ্রমী মোস্তফা জানান, চরাঞ্চলের বেলে দোঁআশ মাটি ওই মিষ্টি কুমড়া রোপনের উপযোগী। প্রথম যখন অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য এলাকার হতদরিদ্র মানুষকে শাকসবজি চাষে উদ্বুদ্ধ করতে শুরু করি তখন অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছিলেন। কিন্ত এখন ওই গ্রামের শাকসবজি চাষে প্রাণবন্ত দেড় শতাধিক নারীর প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা মিষ্টি কুমড়া বাগান দেখে সবাই অভিভুত ও বিস্মিত। এখন এলাকার বাইরে থেকেও অনেকে আসছেন ত দের সফল্য দেখতে।  এ প্রসঙ্গে ফুলছড়ি উপজেলার কৃষি অফিসার মোঃ ইউসুফ রানা জানান, শুস্ক মৌসুমে ব্রম্মণপুত্রের চরে নানা ধরণের ফসলের আবাদ হচ্ছে। কৃষকরা আগের চেয়ে অনেক সচেতন হয়েছে। যার কারণে এখানকার নারীরা পতিত বালুময় চরে মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে এলাবকায় কৃষি ক্সেত্রে রীতিমতো সাফল্যের জোয়ার বয়ে এনেছে। চরাঞাচলের কোনো জমি এখন আর পতিত থাকছে না। আমরা কৃষকদের ফসল আবাদে সব রকমের পরামর্শ দিচ্ছি। কৃষি বিভাগ থেকে ওই সব কৃষাণীদের সহায়তা ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে গণউন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক এম আব্দুস সালাম জানান, দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে তাদের নাগরিক অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিষয়ে সজাগ এবং কৃষিকাজে সম্পৃক্ত করে দিতে পারলেই তারা নিজেরাই নিজেদের ভাগ্য বদলে নিতে পারবে।

 রিপোর্ট »রবিবার, ৩ মার্চ , ২০১৩. সময়-৯:৩৪ pm | বাংলা- 19 Falgun 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP