Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

ভারতীয় শ্রমিক সংগঠনের ডাকে ভোমরা বন্দরে ফের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট

এম.বেলাল হোসাইন, সাতক্ষীরাঃ ভারতীয় শ্রমিক অসন্তোষের কারনে হুমকির মুখে পড়েছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর। দাবি পূরণ না করায় আজ শনিবার থেকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের ঘোজাডাঙ্গার শ্রমিক সংগঠন গুলো।
পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী বসিরহাট মুহাকমা প্রশাসন শ্রমিকদের দাবি পূরণ না করায় ১৪ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার দুপুরে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বন্দরের সংগ্রামপুর-ঘোজাডাঙ্গা শ্রমিক, লরি মালিক ও ট্রান্সপোর্ট সমন্বয় সমিতির ব্যানারে এলাকায় মাইকিং করার পর এক পথসভায় অনির্দিষ্টকালের এই ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়। তাদের এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি  একটি চিঠির মাধ্যমে গতকাল শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরার ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনকেও জানানো হয়েছে।
ভোমরা সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক অহিদুল ইসলাম জানান, ভোমরা বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানিতে সরাসরি ১০ ও ১২ চাকার পণ্যভর্তি ট্রাক ঢোকানোর দাবিতে গত ১৯ জানুয়ারি থেকে ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এ্যাসোসিয়েশন ও ভোমরা সিএন্ডএফ এ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করে। গত ৫ ফেব্রূয়ারী ভারতের বসিরহাট মহকুমা প্রশাসক শ্যামল কুমার মন্ডলের কার্যালয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহার নিয়ে বারাসাত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় কুমার বানসালের উপস্থিতিতে এক জরুরী সভা হয়। সভায় ১০ চাকার ট্রাক খালাসে প্রয়োজনীয় সংখ্যাক শ্রমিকের  অনুকূলে মাথাপিছু ১১ রুপি করে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক বহন করবে এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ধমূঘট প্রত্যাহারের ঘোষনা দিলে দীর্ঘ ১৮ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৬ ফেব্রুয়ারী থেকে গোজাডাঙ্গা-ভোমরা বন্দর দিয়ে ১০ চাকা ও ১২ চাকার ট্রাকে পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়। কিন্তু প্রশাসনরে শর্তভঙ্গের অভিযোগে ৭ ফেব্রুয়ারী থেকে ঘোজাডাঙ্গা বন্দরের শ্রমিকরা বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাক থেকে মালামাল নামানো বন্ধ করে দিলেও ১১ ফেব্রুয়ারী থেকে তা আবার স্বাভাবিক হয়ে আসে।
তারা আরও জানান, প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমদানীকারকরা শ্রমিকদরে পাওয়না মাথা পিছু ১১ রূপি না দেয়ায় শ্রমিকরা ভোমরা বন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা মাছ, পান ও ফল ভর্তি ১০ চাকার ট্রাক ছাড়া সকল ট্রাক বুধবার ও বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় দুপুর একটা পর্যন্ত বসিরহাটের সংগ্রামপুর ব্রীজের সামনে আটকে দিয়ে প্রতিবাদ জানায়। পরে ১০ চাকার পন্যবাহী ট্রাক চালানোর জন্য শ্রমিকদের ব্যাপারে প্রশাসন দেয়া প্রতিশ্রুতি না রাখায়  বৃহস্পতিবার সকালে ঘোজাডাঙ্গা শ্রমিক, লরি মালিক সমন্বয় সমিতি মাইকিং করে ভারতীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে একটা পর্যন্ত  ঘোজাডাঙ্গা বন্দরের ইছামতি পার্কিংয়ের দক্ষিণ পাশে একটি সমাবেশ করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক সংগঠনের সদস্য রিয়াজুল মল্ডল, আব্দুল গফুর, দিব্যেন্দু রায়, সন্তোষ সরকার ও গোবিন্দ মন্ডল। সভায় সন্ধ্যার মধ্যে প্রশাসন শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষায় ১০ চাকার ট্রাক থেকে পণ্য নামানো ও ওঠানোর জন্য দেয়া প্রতিশ্রুতি পালন না করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী শনিবার থেকে ঘোজাডাঙ্গা বন্দরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়া হয়। ধর্মঘটের বিষয়টি শুক্রবার একটি চিঠির মাধ্যমে তাদেরকে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেছার উদ্দিন জানান, ভারতের বসিরহাটের সংগ্রামপুর বীজের কাছে শ্রমিকদের বাধার কারণে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ভোমরা বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ ছিল। বসিরহাটের কয়েকটি সংগঠন একত্রিত হয়ে মাইকিং ও পথসভা করে শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। তবে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বারাসাত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় কুমার বানসাল শুক্রবার বিকালে ঘোজাডাঙ্গা শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের ডেকেছেন বলে জানা গেছে। সমঝোতা না হলে শনিবার থেকে ফের ভোমরা বন্দর অচল হয়ে পড়বে বলে তিনি জানান।
ভোমরা বন্দরের কাস্টমস সুপার (শুল্ক) মঞ্জুরুল হক জানান, ভারতের ঘোজাডাঙ্গা এলাকার শ্রমিকদের বাধার কারণে দু’দিন ধরে আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সরকার বেশ কিছু রাজস্ব হারাচ্ছে। শনিবার থেকে ঘোজাডাঙ্গায় ধর্মঘট সম্পর্কে শুক্রবার ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের কাছে শুনেছেন বলে জানান। দীর্ঘ ১৮দিন বন্ধ থাকার পর নতুন করে আবার ধর্মঘটের কবলে পড়লে ভোমরা স্থলবন্দর হুমকির মুখে পড়বে বলে তিনি আশংকা প্রকাশ করেন।

 রিপোর্ট »শুক্রবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী , ২০১৩. সময়-৮:৫৫ pm | বাংলা- 3 Falgun 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP