Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

অবহেলায় মাধবকু- জলপ্রপাত হারাচ্ছে পর্যটক

মাধবকু- থেকে ফিরে-মাহবুব মুরশেদ ঃ প্রাকৃতিক সোন্দর্যের নৈসর্গিক দৃশ্য যাদের তৃষ্ণার খোরাক জোগায়, তাদের জন্য মাধবকু- জলপ্রপাত সৃষ্ট্রার এক অনন্য সৃষ্টি। সুরমা নদীর তীর ঘেঁষে বিসত্মৃত দুটি কুঁড়ি আর একটি পাতার শহর সিলেট। হযরত শাহজালাল ইয়ামীনী (রঃ) পূণ্য স্মৃতি বিজড়িত গর্বিত শহর সিলেট ভ্রমন করার যে সকল পর্যটকদের সুযোগ আসে, তারা কখনোই পাশ্ববর্তী এলাকায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম নৈসর্গিক সৌন্দর্য মন্ডিত মাধবকু- জলপ্রপাত দেখার বিরল দৃশ্য হাত ছাড়া করতে নারাজ। সিলেট থেকে প্রায় আশি কিলোমিটার দুরে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত এই জলপ্রপাত দেখতে দেশ বিদেশের শতশত পর্যটক প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধা অবধি ভিড় জমায়। বিশেষ করে শীত মৌসূমে দেশী পর্যটকদের পাশাপাশি উলেস্নখযোগ্য সংখ্যক বিদেশী পর্যটক বিশ্বের অন্যতম সৌন্দর্য মন্ডিত জলপ্রপাত দেখতে মাধবকু- পরিভ্রমনে আসে। প্রায় দু’শ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট প্রপাতের চুড়ায় উঠতে যেয়ে সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটকদের কেউ পা ফসকে নীচে পড়ে যেয়ে, আবার কেউবা জলপ্রপাতের প্রবাহ মুখের জলাশয়ে গোসলকালে  উলস্নাস করতে যেয়ে পানিতে ডুবে মারা যায়। এ সকল কারনে প্রকৃতির অপরূপ লীলাভুমি মাধবকু- জলপ্রপাত এখন অযত্ন আর অবহেলায় সেŠন্দর্য পিপাসু পর্যটকদের কাছে অনেকটা বিবর্ণ আকর্ষণহীন হয়ে পড়ার উপক্রম হতে চলেছে। অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, দেশী বিদেশী পর্যটকদের নিরাপত্তাহীনতা ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে ক্রমেই পর্যটকগন মাধবকু- পরিদর্শন থেকে বিমুখ হয়ে পড়ছে। জলপ্রপাতের শীর্ষদেশের পাহাড়ের চুড়া থেকে আবহমান কাল ধরে পানির অবিরল ধারা যেন কোন এক অজানা উৎস থেকে নেমে আসছে। জলপ্রপাতের প্রবাহিত এই পানির উৎসই এলাকার জন মানুষের খাবার, রান্না, গোসলসহ দৈনন্দিন গৃহস্থালী কাজের চাহিদা মেটাচ্ছে। এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রহীমের মত অভিলাসী মানুষ ইতোপূর্বে জলপ্রপাতের চুড়ায় উঠে তাদের মনের সাধ মিটাতো। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে এখানে নানা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে দুই দশকে এ পর্যমত্ম প্রায় তেত্রিশ জন পর্যটক নির্মম ভাবে অকাল মৃত্যু বরন করায় এখন আর পাহাড়ের চুড়ায় উঠা পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত নয়। এখানে এসে স্বচ্ছ শীতল পানির নয়নভিরাম দৃশ্য দেখে অনেকে জলপ্রপাতের পানিতে গোসল করতে নামে। বাঁধ ভাঙ্গা আনন্দের জোয়ারে গা ভাসিয়ে বিপদসীমা অতিক্রম করে কখন যেন প্রপাতের প্রবাহ মুখের কাছে যেতেই এক অদৃশ্য শক্তির টানে পানির নীচে চিরতরে হারিয়ে যায়। অনেকের মরদেহ উদ্ধার করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সুদÿ ডুবুরীদের কয়েকদিন বিরামহীন প্রচেষ্টা চালিয়ে ডুবে যাওয়া পর্যটকদের লাশ উদ্ধার করতে হয়। এসব কারনে বর্তমানে দুর্গম পাহাড়ের চুড়ায় উঠা নিবারন করতে বিভিন্ন পয়েন্টে কাটা যুক্ত ডালপালা, কোথাও বা কাঠের অস্থায়ী দরজা বসিয়ে উর্দ্ধমূখি পথগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পাশা পাশি পুলিশ ও উপজাতীয় সোর্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এত কিছু প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও জলপ্রপাতের উৎস মুখের দর্শন অভিলাষী দুঃসাহসী কিছু তরম্নণ তরম্নণী দুপায়ে প্রতিবন্ধকতা মাড়িয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও তাদের নিয়োজিত উপজাতীয় সোর্সদের নজর ফাঁকি দিয়ে ঠিকই দুর্গম পাহাড় চড়ার অভিষ্ঠ লÿÿ্য পৌছে যাচ্ছে। জলপ্রপাতের চুড়ায় আরোহনকারী পর্যটকগন নিরাপত্তা বাহিনীর নজরে পড়লে উপজাতীয় সোর্সদের মাধ্যমে তাদের নামিয়ে এনে নানা প্রকার তিরস্কার করা হয়। সাথে সাথে এখানে উঠার পরিনতি কি ভয়াবহ তা সবিসত্মারে বর্ননা করে সকলকে সর্তক করে দেওয়া হয়। চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী প্রবাদের মত কড়া নজরদারী উপেÿা করে দুঃসাহসিক ভাবে জলপ্রপাত চুড়ায় আরোহন করতে যেয়ে আমাদের সামনে ঝিনাইদহের আকতারম্নল ও রম্নবেল উপজাতীয় সোর্সদের নজরে পড়লে জনপ্রতি দশ টাকা বখসিশ্ গুনে মহা আনন্দে এভারেস্ট বিজয়ীর মুসা ইব্রাহিমের মত দীর্ঘÿন জলপ্রপাতের চুড়ার উৎস মুখে আরোহন করে ঘুরে ফিরে নেমে আসে যেন বিজয়ী বীরের মর্যদায়। জলপ্রপাত এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ কন্সেটেবল আব্দুল মমিন এখানকার নানা তথ্য আগ্রহ ভরে বর্ননা দেন। তিনি জানান, জলপ্রপাত বেষ্টিত পাহাড়টি নয় কিলোমিটার এলাকা বিসত্মৃত। এর পরই ভারতের আসাম রাজ্যের গোয়ালপাড়া। পুলিশের একার পÿÿ বিসত্মীর্ন এই পাহাড়ী এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয় বলে উপজাতীয়দের মধ্যে হতে পনর জন সোর্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত খাসিয়ারা জীবিকার সন্ধানে অবাধে সকাল-সন্ধা পাহাড়ে প্রবেশ করতে পারে। এত সব আযোজন সত্ত্বেও সর্বশেষ গত ৮ জুন শুক্রবার ঢাকা থেকে ৮ জন শিÿার্থীর একটি দল মাধবকু- জলপ্রপাত পরিভ্রমনে আসে। দুপুরে প্রচন্ড গরমে জলপ্রপাতের শীতল পানিতে অসুস্থ্য একজন ছাড়া অবশিষ্ট ৭ জন গোসল করতে নামে। গোসল করতে নেমে আনন্দে আত্মহারা তিনজন বন্ধু বিপদ সীমা চিহ্নিত রশি অতিক্রম করলে পানির ঘূর্ণনে তারা হারিয়ে যায়। ঢাকা থেকে ডুবুরী এনে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর সন্ধায় তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত তিনজন হলেন মীরপুর বাংলা স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণীর ছাত্র শাহরিয়ার, মীরপুর বায়তুল মামুর মাদ্রসার নবম শ্রেণীর ছাত্র মুন্না এবং মীরপুর কমার্স কলেজ থেকে এইচএসসি ফল প্রার্থী আশিক। ২৭ ফফেব্রয়ারি বড়লেখা উপজেলার গাজীরটেক গ্রামের মাসুক মিয়া (২০) প্রেমিকা রোমানা (১৮) কে নিয়ে মাধবকু- জলপ্রপাত এলাকায় বেড়াতে আসে। দুজনা জলপ্রপাতের শীর্ষ স্পর্শ করে নিজেদের প্রেম কাহিনীকে লাইলী-মজনু, শিরী- ফরহাদ কিংবা রোমিও -জুলিয়েটের মত ইতিহাসে অমর করতে চেয়ে ছিল। কিন্তু রোমানা কোন এক অসতর্ক মুহূর্তে পা ফসকে চুড়া থেকে জলপ্রপাতের নীচে পড়ে নির্মম ভাবে মৃত্যু বরন করে। স্থানীয় লোকজন মাসুক মিয়াকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। গত বছর ১২ মার্চ জলপ্রপাতের চুড়া থেকে পড়ে মারা যায় গাজীপুরের ধুমবাড়িশালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র বাপ্পি। এছাড়া পুলিশ ও বন বিভাগ সুত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে প্রপাতের পানিতে সাঁতার কাটতে নেমে মারা যায় ঢাকার উত্তরার কলেজ ছাত্র খোন্দকার রাহিমুল ইসলাম, ২০০৮ সালের ২৯ আগষ্ট মারা যায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আল ফতেহ শাহী, ২০০৭ সালের ২৫ মে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র আনিসুর রহমান গোসল করতে নেমে ডুবে মারা যায়, ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে কুলাউড়া উপজেলার করের গ্রামের এক যুবক গোসল করতে নেমে ডুবে মারা যায়, ২০০৫ সালের ৫ জানুয়ারি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ছাত্রী ফারজানা ইসলাম রাহী, একই বছর ৩০ জুলাই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শাহেদ মারা যায়, ২০০৪ সালের ৩ জানুয়ারি সিলেটের জাকিগঞ্জ উপজেলার স্কুল ছাত্রী তাহমিনা এবং ৯ জানুয়ারি সিলেটের কুয়াপাড়ার মোহাম্মদ আলী মিনু, ২০০২ সালে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রের একজন চুড়া থেকে পড়ে এবং অন্যজন সাঁতার কাটতে নেমে প্রাণ হারায়। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে অমত্মত আরো পনর জন পর্যটক এখানে দুঘর্টনার শিকার হয়ে করম্নণ মৃত্রু বরন করেছে যাদের সঠিক তথ্য বন বিভাগের কাছে সংরÿÿত নেই বলে জানা গেছে। বড়লেখা উপজেলা চেযারম্যান সিরাজ উদ্দিন জলপ্রপাতের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানের চার পাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী দেওয়া প্রযোজন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। সিলেট বনvাবভাগের ডিএফও জানান, গত দু দশকে  অমত্মত তেত্রিশ জন পর্যটক কর্তৃপÿÿর সতর্ক বাণী অমান্য করার ফলে কিম্বা পর্যটকদের বেপরোয়া চলাফেরার কারনে তারা মারা গেছে। মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার পাথারিয়া বনাঞ্চলের মাধব বিটে মাধবকু- জলপ্রপাতের অবস্থান। জলপ্রপাতের উৎসমুখ বেষ্টিত পাহাড়টি নয় কিলোমিটার এলাকা বিসত্মৃত। জলপ্রপাত এলাকা জুড়ি রেঞ্জ-২ এর আওতাধীন মাধব বিটে ৫’শ একর বেষ্টিত জায়গা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে ইকোপার্ক। কিন্তু সরকারি ঘোষণার দীর্ঘ এক যুগপার হলেও তা আজো পূর্ণতা পায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইকোপার্ক বাসত্মবায়নে নেই কোন সুষ্ঠু পরিকল্পনা। দেশের সর্ব বৃহত জলপ্রপাত মাধবকু- পরিদর্শনে যাবার একমাত্র সরম্ন সড়কটির বেহাল দশা। গোটা সড়ক খানা খন্দে ভরা। রাসত্মা সংস্কারের দাবিতে মাধবকু- রাসত্মা উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে একাধিক বার দাবি দাওয়া জানালেও উলেস্নখ যোগ্য কোন কাজ হয়নি। স্থানীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সড়কটি সংস্কারের জন্য যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে লেখা লেখি চলছে বলে জানান। কিন্তু কবে নাগাদ কাজ শুরম্ন হবে তা তিনি বলতে পারেননি। জলপ্রপাতকে ঘিরে জেলা পরিষদ ডাকবাংলো, বাংলো সংলগ্ন জামে মসজিদ, চার পাঁচটি  খ্যাত- অখ্যাত রেস্টুরেন্ট, কিছু বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, খাসিয়া পলস্নী, বন বিভাগের দায়িত্ব পালনরত ব্যক্তি, নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্পসহ আরো কতিপয় ভবন মিলেই গড়ে উঠেছে মাধবকু- জলপ্রপাত এলাকা। মহান আলস্নাহর অপার মহিমা দেখে স্রষ্টার দরবারে মাথা নত করার জন্য মসজিদে গেলে অজুর কষ্ট আমাদের মত সহজ লভ্য পানি প্রাপ্ত এলাকার মানুষকে বড় পেরেশানীতে ফেলে দেয়। পানি সংকট তীব্র আকার ধারন করায় মুসলস্নীদের অজুর কাজ সমাধা করতে হয় মসজিদের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া জলপ্রপাতের নোংড়া পানির ÿীন ধারার একমাত্র উৎস মুখে। যার অনতিদুরে খাসিয়া পলস্নীর নারী পুরম্নষেরা গোসল, ধোয়া মোসাসহ দৈনন্দিন যাবতীয় প্রয়োজন মেটাচ্ছে। মসজিদের ইমাম মাওঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, এ এলাকায় চার’শ থেকে পাঁচ’শ ফুট মাটির নীচ পর্যমত্ম গভীর অগভীর নলকূপ স্থাপন করেও গ্রীষ্ম মৌসূমে পানি পাওয়া যায় না। যে কারনে এ সময় মুসলস্নীসহ সাধারন পর্যটকদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে অপাতত তাদের কিছুই করার নেই বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। জেলা পরিষদ বাংলোর মেহমান, হোটেল রেস্টুরেন্টে খাবার গ্রহনকারীসহ এখানে আগত সকলকে জলপ্রপাত থেকে সংগ্রহ করা পানি ফিল্টার করে পান করার জন্য সরবরাহ করা হয়। এখানকার রেস্টুরেন্ট গুলো তেমন মান সম্মত না হলেও অন্য জায়গার তুলনায় খাবারের দাম কয়েক গুন চড়া। অন্যন্যোপায় পর্যটকগন জঠরের জ্বালা নিবারনের জন্য গলাকাটা মূল্যে এখানে বিশেষ করে মধাহ্ন ভোজ পর্ব সমাধা করে থাকে। তারপরও পর্যটকদের আনায়াসে মাধবকু- যাতায়াতের জন্য উন্নত সড়ক যোগাযোগ, নিরাপত্তাসহ নান্দনিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যর্ উপভোগ করবার অবারিত সুযোগ বাড়াতে পারলে অগনিত পর্যটক দেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত মধাবকু- দু নয়ন মেলে দেখার পাশাপাশি শীতল পানির ছোঁয়ায় প্রাণ স্পর্শের বিরল সুযোগ উপভোগ করতে পারবে। কিন্তু বন বিভাগসহ সংশিস্নষ্ট কর্তৃপÿÿর অযত্ন আর অবহেলায় দেশের রাজস্ব আয়ের অন্যতম প্রাকৃতিক উৎস মাধবকু- জলপ্রপাতের অপরূপ সৌন্দর্য ÿয়ীষ্ণু হতে চলেছে। ফলে আকর্ষণ হারাচ্ছে প্রকৃতি প্রেমী অগনিত দেশী বিদেশী পর্যটক। আর সেই সাথে দেশ হারাতে বসেছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আয় হতে।

 রিপোর্ট »শুক্রবার, ৮ ফেব্রুয়ারী , ২০১৩. সময়-৯:৪৭ pm | বাংলা- 26 Magh 1419
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP