Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকগুলো চলছে ‘ফ্রিস্টাইলে’ চলছে প্রতারণা

Thakurgaon-01শাকিল আহম্মেদ, ঠাকুরগাঁও:
ঠাকুরগাঁওয়ের ক্লিনিকগুলোতে যথাযথ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত সাধারণ মানুষ। সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে বাণিজ্যিক মানসিকতায় গড়ে উঠেছে প্রাইভেট ক্লিনিক। ক্লিনিকগুলো জনগণের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করছে।
ঠাকুরগাঁও জেলায় বেসরকারিভাবে পরিচালিত ক্লিনিক, ডেন্টাল ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরিগুলো চলছে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে।
সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়ার নামে গ্রামে-গঞ্জে, হাট-বাজারে এবং শহরের অলিগলিতে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ছোট-বড় এসব প্রতিষ্ঠান।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, জেলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৪৮ টি। এগুলোর মধ্যে ২৩ টি ক্লিনিক ও ডেন্টাল ক্লিনিক এবং ২৫ টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি রয়েছে।
এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় সকল হাসপাতাল এন্ড ক্লিনিকের ২৪টি ক্লিনিকের ১০ বেড ও ১টি ক্লিনিকের ৩০ বেডের আনুমোদন রয়েছে।
সূত্র জানায়, সদর উপজেলায় বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৩৬ টি। এর মধ্যে ক্লিনিক ২০টি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ১৬ টি।
দি মেডিকেল প্রাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ রেগুলেশন অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ অনুযায়ী ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে হলে ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট, ইনকাম ট্যাক্স(টিআইএন) ছাড়পত্র, প্রতিষ্ঠানের শয্যাসংখ্যা, বর্গফুট অনুসারে প্রতিষ্ঠানের পরিমাণ, ইনডোর, আউটডোর ও ভৌত সুবিধাদি-জরুরি বিভাগ, ওটি, ওয়াশরুম, লেবার রুম, অপেক্ষাকক্ষ, অফিস কক্ষ, প্রশস্ত সিঁড়ি, জেনারেটর, পোস্ট অপারেটিভ রুম, ইনস্ট্র-মেন্ট রুম, অভ্যর্থনা রুম, স্ট্যাভিলাইজার, চেঞ্জিং রুম, নার্সদের ডিউটি কক্ষ, ভান্ডার কক্ষ, অস্ত্রোপচার কক্ষের সুবিধা (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ, ওটি টেবিল, সাকার মেশিন, জরুরি ওষুধের ট্রে, অক্সিজেন, ওটি লাইট, অ্যানেসথেসিয়া মেশিন, ডায়াথার্মি মেশিন, রানিং ওয়াটার, আইপিএস), যন্ত্রপাতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা, সার্বক্ষণিক ডাক্তার-নার্সসহ সংশিললষ্টদের নাম-ঠিকানা, যোগ্যতার সনদপত্র, নিয়োগপত্র, জরুরি অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রপাতি ও ওষুধ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও এ্যাম্বুলেন্স থাকা অত্যাবশ্যক। প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি স্থাপনের জন্য একইভাবে নির্ধারিত নিয়মাবলী পালন করা অত্যাবশ্যক।

কিন্তু জেলার প্রায় ৬৫ টি প্রতিষ্ঠান সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষের সাথে অব্যাহত প্রতারণা করছে।

বৈধ ও অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, প্রশিক্ষিত ডাক্তার, নার্স, ওয়ার্ড বয়, টেকনিশিয়ান ও যন্ত্রপাতি নেই। যাচাই-বাছাই ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ফলে সাধারণ রোগীরা চরমভাবে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। সুচিকিৎসার পরিবর্তে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে চলছে অপচিকিৎসা। এছাড়া দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেকেই হচ্ছেন সর্বশান্ত। আবার প্রতিটি ক্লিনিকে একই ডাক্তারের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে বড় বড় বিজ্ঞাপন দিয়ে রোগীদের আকৃষ্ট করে সেবার নামে প্রতারণা করছে প্রতিষ্ঠানগুলো।
এদিকে বেসরকারি পর্যায়ে গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার কারণে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
ঠাকুরগাঁও শহরে কয়েকটি ক্লিনিকের বর্জ্য অপসারণের সুব্যবস্থা থাকলেও বাকি গুলোর নেই বললেই চলে। একই সাথে ক্লিনিকগুলোতে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ও অস্ত্রোপচার বাবদ রোগীদের কাছ থেকে ইচ্ছা মাফিক অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে রক্ত সঞ্চালন নিষিদ্ধ হলেও কেউই মানছে না সে নিয়ম। সূত্র জানায়, রোগীদের আত্মীয় স্বজনদের এসব ক্লিনিকে রক্ত দানে বাধ্য করা হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, ক্লিনিকের মালিকানায় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও কিছু চিকিৎসক অংশীদার হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নেন।

নিয়ম অনুযায়ী, লাইসেন্স গ্রহণের লক্ষ্যে কেউ আবেদন করলে সিভিল সার্জনকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড গঠন করে দেয়া হয়। ওই বোর্ড প্রদত্ত প্রতিবেদন দেখে লাইসেন্স প্রদান করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম কারণ মানলেও লাইসেন্স পাওয়ার পর চিত্র পাল্টে য়ায়। এছাড়া প্রতিবেদন প্রস্তুতকারিরাও অবৈধ অর্থ বাণিজ্যসহ নানা কারণে প্রভাবিত হন।তবে জেলা পর্যায়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষ না থাকায় ক্লিনিক, ডেন্টাল ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরিগুলো নিয়মিত মনিটরিং এর অভাবে বেসরকারি পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নপূর্বক স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আর এর মাশুল গুণতে হচ্ছে হাজার হাজার রোগীকে।

এসব বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন আফজাল হোসেন তরফদার জানান, স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স প্রদান করা হয়। লাইসেন্স প্রদানের সময় একটি মেডিকেল টিম গঠন করে দেওয়া হয়, রিপোর্ট দেওয়ার জন্য। সেই টিম যাচাই বাছাই করে প্রতিবেদন পেশ করে। যেসক ক্লিনিক সরকারি নিয়ম নীতি মানছে তাদের বিরুদ্ধে শিগরই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের একাধিক ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি থাকলেও অধিকাংশ মানসম্মত নয়। যথাযথ মনিটরিং ও সুপারভিশন না থাকায় এগুলো ইচ্ছামাফিক পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ৭টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অবৈধ ভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে। আর বাকি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলো বৈধ লাইসেন্স নবায়ন করছে না।

 রিপোর্ট »বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী , ২০১৩. সময়-১০:১৯ pm | বাংলা- 25 Magh 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP