Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

সীতাকুন্ডের শিপব্রেকিং শিল্পে চলছে চরম দুর্দিন

সীতাকুন্ড (চট্টগ্রাম) থেকেঃ হলমার্ক কেলেঙ্কারীর ঘটনায় দেশের সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলো নতুন ভাবে ঋণ প্রদান বন্ধ করে পূর্বে প্রদানকৃত ঋণ আদায়ে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করায় দারম্নন নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সীতাকুন্ডের জাহাজ ভাঙা শিল্পে। ইতিমধ্যে পুরানো ব্যাংক ঋণ পুরোপুরি পরিশোধ করতে গিয়ে অনেক শিপইয়ার্ড মালিক একেবারে পুঁজিশূণ্য হয়ে পড়েছেন। পুরানো ঋণ পরিশোধ করে নতুন ব্যাংক লোন না পাওয়ার কারনে বন্ধ রাখা হয়েছে জাহাজ আমদানি ও জাহাজ কার্টিং। ফলে শিপইয়ার্ডগুলোতে কর্মরত অসংখ্য শ্রমিক বেকার হওয়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে হচ্ছে চরম ক্ষতির সম্মুখীন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সীতাকুন্ডের জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প বহুমুখি সংকটের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে  বিগত এক-দেড় বছর ধরে। সীতাকুন্ডের শিপইয়ার্ড মালিকরা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্ক্র্যাপ লোহা, ইস্পাত ক্রয় করে দেশে আমদানির পর বিশ্ব বাজারে হঠাৎ-ই ভয়াবহ দরপতন ঘটে স্ক্র্যাপ পণ্যের। ফলে  কোনপ্রকার প্রসেসিং করার আগেই আমদানী করা পণ্যে মালিকরা টন প্রতি ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা হিসেবে প্রতিটি স্ক্র্যাপ জাহাজে ৮/১০ কোটি টাকা লোকসান দিতে হয়েছে। কিন্তু ব্যাংক থেকে লোন একাউন্ট (এলএসি) খুলে এসব পণ্য আমদানি করায় লোকসান হলেও মালিকদেরকে নিয়মিত পরিশোধ করতে হয় ঋণের কিস্তি। এতে লাভের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি লোকসান দিয়ে যখন দুশ্চিন্তায় শিল্পপতিদের কপালে ভাজ পড়েছে ঠিক তখনই মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে এসেছে হলমার্ক কেলেঙ্কারি। সম্প্রতি এই কেলেঙ্কারি সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংককে ভীষণ বেকায়দায় ফেলায় বাংলাদেশ ব্যাংক এখন সরকারি-বেসরকারি সকল ব্যাংকের ঋণ কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে শুরম্ন করেছে। এতে চাকুরি বাঁচাতে দিশেহারা ব্যাংক কর্মকর্তারা শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋন পরিশোধের জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। আর নিজেদের ভবিষ্যৎ ভেবে আমদানিকৃত পণ্য আরো কম মূল্যে বিক্রি করে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে শুরু করায় পুঁুজি সংকটে পড়েছেন অনেকে। তারা কাঁচামাল ক্রয় করে কার্যক্রম সচল রাখতেও হিমশিম খাচ্ছে। অধিকাংশ সময়ই বেকার থাকছে হাজার হাজার শ্রমিক। কয়েকজন শিল্পপতির সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। সীতাকুন্ডের একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক বলেন, বিগত ২ বছরে ব্যবসায়ীরা ধংসের দ্বারপ্রামেত্ম এসে দাঁড়িয়েছে। এসময়ে আমত্মর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করা স্ক্র্যাপ জাহাজ, রড, চাউল, গমসহ বিভিন্ন দ্রব্যে কোটি কোটি লোকসান দিয়েছেন আমদানিকারকরা। তিনি বলেন, আমরা আমত্মর্জাতিক বাজার থেকে একটি জাহাজ প্রতিটন ৫০৫ ডলারে কিনে দেশে আসার পর সেখানে দরপতন হয়ে দাম ৩৭০ ডলারে নেমে আসে। অর্থাৎ প্রতিটন জাহাজে ১৩৫ ডলার লোকসান। আর শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে আনা ও শিপ কাটিং পর্যমত্ম যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যে ব্যয় হয় তা ধরলে প্রতিটনে মালিকদের লোকসান দাঁড়ায় বাংলাদেশি টাকায় ১৮ হাজার টাকা। এভাবে একটি ৪০/৫০ হাজার টন ওজনের জাহাজে কত কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে তা সহজেই অনুমেয়। এভাবে দীর্ঘ দেড় থেকে দুই বছর অব্যহতভাবে লোকসান দিয়ে যাচ্ছেন শিল্পপতিরা। কিন্তু এর পরেও তাদেরকে হাজার হাজার শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন নিয়মিত পরিশোধ করতে হচ্ছে। চালিয়ে যেতে হচ্ছে জাহাজের বিপরীতে গ্রহণ করা ব্যাংক ঋণের কিসিত্ম। এভাবে ক্রমাগত লোকসানে শিপইয়ার্ড মালিকরা যখন দারম্নণ হতাশ ঠিক তখনই হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় আরো দূর্দশায় পড়েছে এ শিল্প। বাংলাদেশ শিপব্রেকিং এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি শিল্পপতি মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, বর্তমানে ব্যাংকগুলি নতুন করে ঋণ প্রদান করতে চাইছে না। বরং পূর্বে বিনিয়োগকৃত ঋণ ফেরতের জন্য সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাপ দিচ্ছে। ব্যাংকের পুরানো ঋণ পরিশোদ করে ইতিমধ্যে কার্যক্রমে ভাটা পড়ছে বহু প্রতিষ্ঠানের।এ বিষয়ে যমুনা ব্যাংক চট্টগ্রাম জুবিলী রোড শাখা অফিসের এভিপি মো. আযম বলেন, হলমার্ক কেলেঙ্কারি পর বাংলাদেশ ব্যাংক সবগুলো ব্যাংকের কার্যক্রম খতিয়ে দেখছে। আর ব্যাংকগুলোও নিজেদের নিরাপত্তার জন্য এখন ঋণ প্রদানে অনেক সতর্ক। উদাহরণ স্বরূপ তিনি বলেন, এখন কাউকে ১০ টাকা ঋণ দিতে হলে আমরা ১৫ টাকা পরিমাণের মর্টগেজ রাখছি। অর্থাৎ প্রদানকৃত ঋণের বেশি মর্টগেজ ছাড়া কোন ঋণ প্রদান হচ্ছে না। শুধু যমুনা ব্যাংক নয়, সব ব্যাংকই এ নিয়ম ফলো করছে। তিনি আরো বলেন, একসময় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধুমাত্র ফেইস ভ্যালু দেখে কোনরকম মর্টগেজ ছাড়াই ঋণ দেওয়া হতো। কিন্তু এখন তা আর হচ্ছে না। আর আগে যাদেরকে ঋণ দেওয়া হয়েছিলো সেসব ঋণ আদায়েও আমরা অনেক বেশি তৎপর। যারা কিছুটা অনিয়মিত তাদের কোন রকমের ছাড় না দিয়েই আদায় করা হচ্ছে পুরানো টাকা।

 রিপোর্ট »মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বার , ২০১২. সময়-১০:৫২ pm | বাংলা- 11 Poush 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP