Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

কালিয়াকৈরের হোটেলগুলোতে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে পঁচাবাসী খাবার বিক্রি

কালিয়াকৈর (গাজীপুর)প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার অধিকাংশ হোটেলে চলছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না এবং অপরিচ্ছন্নভাবে খাদ্যসংরক্ষণ। এসব হোটেলে পরিবেশন করা হচ্ছে পঁচাবাসি খাবার। বিষাক্ত রাসায়নিক, মেয়াদোত্তীর্ণ মসলা, রং এবং অপরিষ্কার পানি দিয়ে রান্না হচ্ছে। রান্নাকরা খাবার এবং কাঁচা শাক-সবজি একই ফ্রিজে রাখা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দিনের পর দিন খাবার ফেলে রাখা হচ্ছে খোলা অবস্থায়। এসব খাদ্যগ্রহণ করে উপজেলার শিল্প অধ্যোশিত এলাকাগুলোতে অবস্থানরত বাসিন্দারা স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছেন। বাড়ছে টাইফয়েড, জন্ডিস ও ডায়রিয়ার প্রকোপ। সেই সঙ্গে খাবারের সঙ্গে ফরমালিনের মতো বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য গ্রহণের কারণে দীর্ঘস্থায়ী অসুখের সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে এলাকাবাসীর। দায়িত্বশীল সংস্থাগুলোর কর্তাব্যক্তিদের মধ্যে সমন্বয় এবং পেশাদারিত্বের অভাবে অসহায় কালিয়াকৈর বাসী পড়েছেন বিপাকে।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হোটেলগুলোতে গিয়েনোংরামির চূড়ামত্ম রূপ দেখা গেছে। এসব হোটেলের রান্নাঘরে একই ফ্রিজের মধ্যে কাঁচা মাংস, কাঁচা তরকারি, রান্না করা মাংস, রান্না করা তরকারি, মসলা, পেঁয়াজ, আদা বাটা, রসুন একসঙ্গে রাখা হচ্ছে। এতে করে দুই ধরনের উপাদানই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন রকমের বিক্রিয়ায়। উপজেলার সফিপুর বাজারের বিসমিলস্নাহ হোটেলের এক কর্মচারীর কাছে জানতে চাইলে সে সরল স্বীকারোক্তি দেয়, ‘সকাল থেকে গভীর রাত পর্যমত্ম রান্না করা তরকারিগুলো ময়লা পরিবেশে খোলা পড়ে থাকে। রাতে হোটেল বন্ধ করে দেয়ার পর সব ধুয়ে রেখে দেয়া হয়।’ এ হোটেলে শাক-কফি কিংবা আলু ভাজি, আলু-ডাল-শুঁটকি ইত্যাদির ভর্তা, রম্নই মাছ ভাজা, কই মাছের দোপেঁয়াজা, মগজের তরকারি ইত্যাদি পরিবেশন হয় ছোট ছোট বাটিতে করে। এসব বাটি একটার ওপর একটা রেখে ট্রে সাজিয়ে খদ্দেরের সামনে পরিবেশন করা হয়। মানুষ যে আইটেমগুলো খায় সেগুলো ছাড়া বাকিগুলো ফিরিয়ে নেয়া হয়। পরে পরিবেশন করা হয় আরেকজনের সামনে। এ বাটিগুলো নিয়ে রাখা হয় রান্নাঘরের নোংরা খোলা পরিবেশে। এর পাশেই রয়েছে ময়লা পানি, এঁটো-কাঁটা ইত্যাদি নিষ্কাশনের পানির কল। সেখানে সারাদিন বসে বসে পেস্ন­ট-গস্ন­াস ধোয়ার কাজ করে একাধিক শ্রমিক। ধোয়া বাসন-কোসনগুলোও নোংরা পরিবেশে ফেলে রাখা হয়। সেগুলো থেকে ময়লা পানি চুইয়ে চুইয়ে পড়ে রান্না করা খাবারের ওপর। সব মিলিয়ে এক বিচ্ছিরি পরিবেশ। এ-তো গেল রান্নাঘরের বাইরের পরিবেশ। ভেতরের রান্না ঘরের অবস্থা আরও খারাপ। পুরো দেয়াল ঝুল-কালিতে মাখামাখি, মেঝে তেল চিটচিটে। এর মধ্যেই ময়লা কাপড়ে কয়েকজন বাবুর্চি বড় বড় ডেকচিতে ভাত ও অন্যান্য তরকারি রান্না করেই যাচ্ছে। এদিকে ঘরোয়া হোটেলের বাবুর্চিদের মেঝে ভর্তি নোংরা পানির মধ্যে দাঁড়িয়েই খিচুড়ি পেস্ন­টে ভরে সার্ভ করতে দেখা গেছে। তারা ময়লা হাতে কখনও বড় চামচ দিয়ে আবার কখনও পেস্নট দিয়েই সরাসরি ডেকচি থেকে খিচুড়ি তুলছেন। তাদের পরনে রয়েছে স্যান্ডোগেঞ্জি, লুঙ্গি, তার ওপরে একটা ময়লা গামছা বাঁধা। মাঝে মাঝে তারা সেই গামছায় হাত মুছছেন। এ পরিবেশন ব্যবস্থা একবার দেখলে খাবার ইচ্ছা চলে যেতে বাধ্য। অথচ এভাবেই চলছে ঘরোয়া পরিবেশে খাদ্য পরিবেশনের কাজ। বড় হোটেলগুলোর এ অস্বাস্থ্যকর অবস্থার পাশাপাশি ছোট হোটেলগুলোতেও চলছে ভয়ংকর অনিয়ম। উপজেলার মৌচাক, সফিপুর, হরিণহাটি, এপেক্স কারখানা সংলগ্ন এলাকা, পূর্বচান্দরা,সফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমী, চান্দরা (পলস্নীবিদ্যুৎ), চান্দরা জোড়া পাম্প, চন্দ্রা ত্রিমোড়, বাড়ইপাড়া, বড়ইছুটি, লতিফপুর, কালিয়াকৈর বাইপাস, কালিয়াকৈর বাজার, হিজলতলী শিলা-বৃষ্টি পাম্প এলাকা, ভান্নারা, চা-বাগান, ফুলবাড়িয়া, মেদিআশুলাই, নন্দনপার্ক ইত্যাদি এলাকার নানা আকৃতির অনাবাসিক হোটেলগুলোয় ঘুরে অপরিচ্ছন্নতার চূড়ামত্ম রূপ দেখা গেছে। এসব হোটেলের রান্নাঘরে সার্বক্ষণিক নোংরা পানি পড়ে থাকছে। মিটসেল্প ও কাঠের আলমারিতে খোলা অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে যাবতীয় তরকারি। রান্নাঘরেই সত্মূপ করে রাখা হচ্ছে তরকারির উচ্ছিষ্টাংশ, মাছের কাঁটা, খদ্দেরদের ফেলে দেয়া উচ্ছিষ্ট সবকিছু। যারা রান্না করছেন, তারাও যেমন খুব বেশি পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করছেন না, একইভাবে যারা পরিবেশন করছেন তারাও এ ব্যাপারে উদাসীন।

হোটেলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিরম্নদ্ধে মামলা দায়েরসহ যাবতীয় ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষমতা রয়েছে পৌরসভার। শাক-সবজি, মাছ, ফলমূল ইত্যাদিতে বিষ প্রয়োগের ঘটনা তদারকি থেকে শুরম্ন করে বেকারিতে রম্নটি, মিষ্টি, দই, বিস্কুট, আইসক্রিম, চাটনী ইত্যাদি তৈরিতে চলমান অপরিচছন্নতা চর্চাসহ যাবতীয় অনিয়মের বিরম্নদ্ধে তারা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি চাইতে পারে। এমনকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সে রয়েছে স্যানিটারি পরিদর্শকও। কিন্তু তারপরও হোটেলগুলোয় নেই খুব বেশি এ সংক্রামত্ম অভিযান। সেগুলোতে চলছে ব্যাপক অনিয়ম এবং অপরিচ্ছন্নতা চর্চা। এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র বলেছেন, কালিয়াকৈর পৌরসভার সুযোগ ও অবকাঠামো রয়েছে। যতদ্রম্নত সম্ভব হোটেলগুলোর উপর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এদিকে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উপজেলা বিভিন্ন হোটেল থেকে নিয়মিত মাসুয়ারা গ্রহন করেন বলে বিভিন্ন মহলের অভিযোগ। তারা অভিযোগ করে বলেন হোটেল গুলোতে কোন তৎপরাতা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে চালানো হয় না বলে উপজেলার সকল হোটেলের পরিবেশ এক রকম।

এব্যাপারে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোঃ খাদেমুল ইসলামের সাথে কয়েকদিন যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বিভিন্ন অযুহাতে স্থানীয় সাংবাদিকদের এড়িয়ে চলছেন।

এব্যাপারে কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, হোটেল গুলোর অবস্থা সত্যিই অত্ত্যমত্ম জগণ্য পরিবেশের। মাঝে মধ্যে মোবাইল কোর্ট করা হচ্ছে। অতিঅল্প সময়ের মধ্যেই আবারও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

 

 রিপোর্ট »সোমবার, ১৭ ডিসেম্বার , ২০১২. সময়-১১:২৮ pm | বাংলা- 3 Poush 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP