Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

চাটমোহরে বিলকুড়ালিয়ার খাসজমিতে আমন ধানের বাম্পার ফলন

জাহাঙ্গীর আলম, চাটমোহর (পাবনা) :

দেশের বহুল আলোচিত পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলকুড়ালিয়ার খাসজমিতে এবছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। গত শুক্রবার উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে বিলে শান্তিপূর্ণভাবে ধান কাটা শুরু করেছে ভূমিহীনরা। আমন ধানের বাম্পার ফলনে ভূমিহীনদের চোখে-মুখে খুশির ঝিলিক। ভূমিহীন পল্লীতে বিরাজ করছে নবান্ন উৎসবের আমেজ।

সরেজমিনে বিলকুড়ালিয়া খাসজমিতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত ভূমিহীন নারী-পুরুষ মহা আনন্দে বিলে একসাথে ধান কাটায় ব্যস্ত। তাদের সাথে বিলে নেমে ধান কাটা ও বাড়িতে নিয়ে যাবার কাজে সহযোগিতা করছে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী তাদের শিশু সন্তানেরাও। বিলের চারিদিকে যেন বিরাজ করছে একটা উৎসব মুখর পরিবেশ।

ভূমিহীন নেত্রী শংকরী রানী, তকলিমা খাতুনসহ অন্যরা জানান, বিলে বর্তমানে আজলদিঘা, ধলদিঘা ও হুরিলুটা এই তিন ধরনের আমন ধান কাটা চলছে। একর প্রতি ২৫ মণ হারে ৩শ’ একর খাসজমি থেকে ৭/৮ হাজার মণ ধান ভূমিহীনদের ঘরে উঠবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ধান কাটায় ব্যস্ততা দেখা গেলো হরিপুর চৌধুরীপাড়া গ্রামের ভূমিহীন মিনাজ শেখ (৩২), তার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা খাতুন (২৮) ও তাদের মেয়ে রত্না খাতুন (১১) কে।

মিনাজ শেখ ও আঞ্জুয়ারা খাতুন জানান, আগে দিনমজুরী করে তিনবেলা খাবার জুটানো ও সংসারের ভরণ পোষণ চালানো কষ্টসাধ্য ছিল। কিন্তু বিলকুড়ালিয়ার এক টুকরা খাসজমি একসনা লীজ নিয়ে চাষাবাদ করে আজ আমরা অনেকটাই স্বচ্ছল। তিন বেলা পেট পুরে খেতে পারছি। ছেলে মেয়েকে স্কুলে পড়াতে পারছি। অপর ভূমিহীন হরিপুর মমিনপাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিন ও চৌধুরীপড়া গ্রামের মকবুল মোল্লা জানান, আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিলকুড়ালিয়ার খাসজমি আঁকড়ে ধরে চাষা বাদের ফসলে বেঁচে আছি। এর মাধ্যমে আমাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটেছে। এই বিলের ধানে আমাদের সারা বছর খাবারের নিশ্চয়তা পাচ্ছি।

ভূমিহীন নেতা হাসান আলী ও ভূমিহীন নেত্রী রমেছা খাতুন জানান, বিলকুড়ালিয়ার খাসজমি নিয়ে স্থানীয় একশ্রেণীর ভূমিগ্রাসী-জোতদাররা ভূমিহীনদের উপর অনেক হামলা, মামলা করেছে। প্রশাসনের সহযোগিতায় আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিলে চাষাবাদ করতে পারছি। তাই এই বিলের খাসজমি প্রশাসন অতি স্বত্তর প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে স্থায়ী বন্দোবস্ত দিলে আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে বলে মত ব্যক্ত করেন ভূমিহীন নেতারা।

ভূমিহীন উন্নয়ন সংস্থা (এলডিও) সূত্রে জানা গেছে, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’র আর্থায়নে এবং উত্তরন, সাতক্ষীরার মাধ্যমে আপার প্রকল্পে আগামী বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য লীজপ্রাপ্ত ভূমিহীনদের ৩ হাজার ৩০০ টাকা করে এলডিও মুলধন সহায়তা প্রদান করেছে।

এছাড়া বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ভূমিহীনদের আধুনিক চাষাবাদের কলাকৌশল, রোগ বালাই দমন, বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ এবং জৈব সার তৈরি-ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। আর ভূমিহীনদের আইনগত সহায়তা দিয়ে আসছে এএলআরডি।

ভূমিহীন উন্নয়ন সংস্থা (এলডিও)’র নির্বাহী পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান রানা মাস্টার জানান, ইতিমধ্যে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসক পাবনাকে বিলকুড়ালিয়ার খাসজমি ১৫০০ ভূমিহীনের মাঝে স্থায়ী বন্দোবস্ত প্রদানের কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) চাটমোহর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন বলে জানান তিনি। প্রসঙ্গত: ১৯৯২ সনের ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের নেতৃত্বে বিলকুড়ালিয়ার ৪৭৩ একর খাসজমি দখল করে চাষাবাদ করে আসছে বিলপাড়ের ১৫টি গ্রামের প্রায় ১ হাজার ৫শ’ ভূমিহীন পরিবার।

 রিপোর্ট »শনিবার, ২৪ নভেম্বার , ২০১২. সময়-৫:৫০ pm | বাংলা- 10 Agrohayon 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP