Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

সাতক্ষীরা সীমান্তে গরুর খাটাল থেকে প্রতিদিন ২০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

এম. বেলাল হোসাইন, সাতক্ষীরাঃ

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা সীমামেত্ম ভারতীয় গরুতে ব্যাপকহারে চাঁদাবাজি হচ্ছে। সঙ্গবদ্ধ একটি চক্র বিজিবি, পুলিশ, প্রভাবশালী রাজনীতিবীদ ও সাংবাদিকদের নাম করে সাতক্ষীরা সীমামেত্মর ৮টি খাটাল থেকে প্রতিদিন গড়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় গরু বোঝাই ট্রাক থেকে বিভিন্ন ক্লাব ও সমিতির নামে আদায় করা হচ্ছে ট্রাকপ্রতি ২০০ করে চাঁদা। এদিকে, ভারতীয় গরু করিডোর করা ক্ষেত্রেও ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। করিডোরের একই সস্নীপে দেখিয়ে চার দফা গরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে সরকার প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। এসব ব্যাপারে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানাগেছে, সাতক্ষীরা সীমামেত্ম মোট ৮ টি গরুর খাটাল রয়েছে। এগুলো হলো- পদ্মশাখরা, ভোমরা, গাজিপুর, বড় ঘোনা, ছোট ঘোনা , বৈকারী, কুশখালী ও তলুইগাছা। এসব খাটাল সংলগ্ন এলাকায় ভারতীয় গরু করিডোর করার জন্য কুলিয়া , সাতনি ও সোনাবাড়িয়া এলাকায় পৃথক ৩টি করিডোর রয়েছে। ঘোনা খাটাল মালিক আনিসুর রহমান জানান, ভারত থেকে যেসব গরম্ন সীমামেত্ম পেরিয়ে বাংলাদেশে আনা হয় তা প্রথমে তাদের খাটালে রাখা হয়। পরে করিডোরের মাধ্যমে গরম্নপ্রতি ৫০০ টাকা করে সরকারী রাজস্ব জমা দিয়ে সস্নীপ সংগ্রহ করে এসব গরম্ন সীমামত্ম এলাকা থেকে দেশের বিভিন্নস্থানে পাঠানো হয়ে থাকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে গরু ব্যবসায়ীরা জানায়, ভারতীয় গরুপ্রতি ৫০০ টাকা সরকারী রাজস্ব আদায় করার কথা থাকলেও খাটাল মালিকরা গরুপ্রতি ৯০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা আদায় করছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা সীমামেত্ম পৃথক ৮ টি গরুর খাকালে প্রতিদিন গড়ে ৪ হাজার ভারতীয় গরু আনা হচ্ছে। বিজিবি, পুলিশ, রাজনীতিক, সাংবাদিকদের নাম করে খাটাল মালিক ও সঙ্গবদ্ধ চক্র সরকারী রাজস্ব বাদে গরুপ্রতি অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে। এ হিসাবে ৪ হাজার গরম্ন থেকে প্রতিদিন ২০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে সঙ্গবদ্ধ চক্রটি। এখানেই শেষ নয়, সীমামত্ম থেকে ট্রাকযোগে এসব গরম্ন যখন দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে তখনও সাতÿীরার সীমামত্মবর্তী আবাদের হাট, শিকড়ি , ভোমরা, কুশখালীসহ ৫টি পয়েন্টে গরম্ন বোঝাই ট্রাকপ্রতি আদায় করা হচ্ছে ২০০ টাকা করে। প্রতিদিনি গড়ে ১০০ ট্রাক গরম্ন সাতÿীরা সীমামত্ম এলাকা থেকে দেশের বিভিন্নস্থানে যাচ্ছে বলে জানাগেছে। এহিসাবে প্রতিদিন গরু ভর্তি ট্রাকে চাঁদাবাজি হচ্ছে প্রায় লাখ টাকা। গরু ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভত্তিতে স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর গত রোববার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আবাদের হাট এলাকায় গরুর ট্রাক থেকে চাঁদা আদায়ের সময় সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি (তদমত্ম) আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে আটক করা হয় গদাঘাটা গ্রামের পাগলা কর্মকারের ছেলে দীলিপ কর্মকারকে। তাকে সাতÿীরা সদর থানায় সোপর্দ করার পর ওই দিন রাতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি গাজী মো: ইব্রাহীম থানা থেকে তাকে ছেড়ে দেয়। শুধু তাই নয়, সাংবাদিকরা তার ছবি তুলতে গেলে ওসি ইব্রাহীম সাফ জানিয়ে দেন দীলিপের ছবি দেয়া যাবে না। উপরের মহলের নিষেধ রয়েছে। এ ঘটনা জানাজানির পর সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি’র ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এদিকে, সীমামেত্মর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে, ভারত থেকে প্রতিদিন যে গরু আসছে তার অর্ধেকের বেশি গরম্ন করিডোর করা হচ্ছে না। গরু ব্যবসায়ীরা সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একই সস্নীপ ৪ দিন ব্যবহার (একটি  সস্নীপ ১ দিন ১টি গরম্নর জন্য প্রজোয্য ) করে সীমামত্ম এলাকা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে গরম্ন নিয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সাতÿীরা সদর থানার ওসি গাজী মো: ইব্রাহিমের সাথে কথা বললে তিনি সমকালকে জানান, দীলিপ কর্মকারকে ভূল তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ আটক করে নিয়ে আসে। এ কারনে পরে তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ভারতীয় গরু বোঝাই ট্রাক থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। চিহ্নিত এসব চাঁদাবাজদেরকে ধরার জন্য এলাকায় প্রতিদিন পুলিশ পাঠানো হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, গরু বোঝাই ট্রাকে যে চাঁদাবাজি করা হয় তার একটি বড় অংশ থানা পুলিশের পকেটে চলে যায়।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মো: আসাদুজ্জামান জানান, গরম্ন বোঝাই কোন ট্রাকে চাঁদাবাজি হচ্ছে এমন তথ্য তার জানা নেই। পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে কোন চাঁদাবাজি হবে না। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দীলিপ কর্মকার নামের এক চাঁদাবাজকে আটকের পর থানা থেকে ছেড়ে দেয়ার ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ঘটনা তার জানা নেই।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্নেল আবু বাছিরের সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

 রিপোর্ট »শনিবার, ২০ অক্টোবার , ২০১২. সময়-৯:৪৪ pm | বাংলা- 5 Kartrik 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP