Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

সংকটে ভুগছে পীরগঞ্জ সরকারি কলেজ

শাকিল আহম্মেদ, ঠাকুরগাঁও ঃ

শিক্ষক সংকটে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে পীরগঞ্জ সরকারি কলেজ। কলেজটিতে খুব শিগগিরই চালু হচ্ছে অনার্স কোর্স।  শিক্ষক সংকট থাকলে শিক্ষার্থীরা পড়বে বিড়ম্বনায়। নদী ভাঙ্গনে কলেজটির ছাত্রাবাস হুমকীর মুখে।

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৬৩ সালে পীরগঞ্জ কলেজ নামে প্রতিষ্ঠিত করেন তৎকালীন মরহুম খোরশেদ আলী। কলেজটির জন্য জমিদান ১৫একর জমি দান করেন ওই এলাকার মরহুম কর্মলাল চৌধুরি। যাত্রা শুরু হয় ইন্টারমেডিয়েট পর্যায়ের কলেজটির। ১৯৭২ সালে এই কলেজটি বিএ ও বিকম শাখা নিয়ে ডিগ্রী (পাস) কলেজে রুপান্তরিত হয়। ১৯৮৩ সালে বিএসসি কোর্স চালু হয়। ১৯৮৭ সালের ৩০ ফেব্রুয়ারি কলেজটি সরকারিকরন করা হয়।

শিক্ষার্থী সংখ্যা:

কলেজটিতে বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রীর মোট সংখ্যা ৫ হাজার। এরমধ্যে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনিতে ২ হাজার ২৫০ জন এবং ডিগ্রী (পাস) কোর্সে  ২হাজার ৬শ জন ছাত্র- ছাত্রী।

শিক্ষক ও কর্মচারি সংকট :

এই কলেজে ১৪টি বিষয়ের বিপরীতে পদ এনাম কমিশনের সুপারিশ অনুয়ায়ি ৫৬জন শিক্ষকের প্রাপ্যতা থাকলেও কলেজটিতে পদ সৃষ্টি হয়েছে ৪৩ জন শিক্ষকের। এর মধ্যে কর্তমানে কর্মরত আছেন ২৮জন শিক্ষক। শুন্য রয়েছে পদসৃষ্টির বিপরীতে ১৫জন। এছাড়াও তৃতীয় শ্রেনির কর্মচারির পদ ৮টি থাকলেও আছেন মাত ২জন আর ৪র্থ শ্রেনির ১৭জনের স্থলে আছেন ১৪জন।

অনার্স চালু:

বাংলা ও অর্থনীতি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে অনার্স কোর্স চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুর রহমান।

ভৌতিক অবকাঠামো:

ভৌতিক অবকাঠমোর সংকটও আছে কলেজটিতে। এখানে নেই একাডেমিক ভবন, নেই অডিটোরিয়াম,নেই,নেই ছাত্রীনিবাস।

কমনরুম:

কলেজটিতে ছাত্রীদের জন্য একটি মাত্র কমন রুম আছে। যেখানে মাত্র ৪০-৫০জন ছাত্রী ব্যবহার করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে আরো একটি কমন রুমের দাবি করে আসছে ছাত্রীরা ।

পাঠাগার: লাইব্রেরিয়ানের পদটিও শুন্য রয়েছে এখানে। একটি ক্লাসরুমে পাঠাগার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। যেখানে ৪০জন শিক্ষার্থী বই পড়তে পারে। পাঠাগার টিতে বর্তমানে বইয়ের সংখ্যা ১০ হাজার। প্রতিবছর নতুন বই কেনা হয় এখানে।

খেলার মাঠ, বিনোদন ব্যবস্থা ও পানীয় জল:

পর্যাপ্ত পরিমানে খেলার মাঠ আছে কলেজটিতে। পাশাপাশি খেলার উপকরনেরও কমতি নেই। এখানে বার্ষিক ক্রিড়া ও সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। কলেজে পানীয় জল সরবরাহে কোন সমস্যা নেই কলে জানান শিক্ষক ও  শিক্ষার্থীরা।     

ছাত্রাবাস :

১৪টি রুম নিয়ে একটি টিন সেডের ছাত্রাবাস আছে কলেজটিতে। এখানে আসন সংখ্যা মাত্র ৪৩টি। প্রতিটি রুমে ২ থেকে ৩জন করে থাকেন। ডিগ্রী পাস কোর্সের ছাত্র দেলোয়ার হোসেন, রাজিব জানান, ছাত্রাবাসে টয়লেট ব্যবস্থাও ভেঙ্গে পড়েছে। এছাড়াও বহিরাগতদের আনাগোনা বেশি। তারা মাঝে মধ্যেই নেশার আড্ডাখানার আসার বসায় কলেজের আনাছে কোনাচে।

ছাত্রাবাস ঘেষা লাচ্ছি নদী হওয়ায় নদীগর্ভে ইতোমধ্যে চলে গেছে বেশ বিছু জমি। হুমকীর মুখে আছে ছাত্রাবাসটি। নদীভাঙ্গন রোধ করা না হলে যে কোন সময় ছাত্রাবাসটি বিলিন হবে বলে জানান অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কলেজের উদ্যোগে নদী ভাঙ্গনে রোধে সাময়িক ব্যবস্থা করা হলেও তা যেকোন সময় নষ্ট হতে পারে। কলেজটিতে আরো ২শ সিটের একটি ছাত্রাবাস এবং ১৫০ সিটের একটি ছাত্রীনিবাসের প্রয়োজন আছে বলে জানান অধ্যক্ষ।

পরিবহন ব্যবস্থা :

কলেজটিতে নেই শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য হয়নি পরিবহন ব্যবস্থা। ফলে দুরদুরান্ত থেকে নিজস্ব উদ্যোগেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়া করতে হয় ।

ফলাফল :

২০১২ সালে এইচএসসি পরিক্ষায় পাশের হার ছিল শতকরা ৮৩.২৫। দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে কলেজটি ১৯তম স্থান লাভ করে। আর জেলার মধ্যে হয় দ্বিতীয়।

ছাত্রসংসদ:

২০০০সালে ছাত্র সংসদ ভেঙ্গে যাওয়ার পর আর নির্বাচন হয়নি কলেজ টিতে। এর পর থেকে কলেজটিতে রাজনৈতিক তেমন কর্মকান্ড নেই। বছরে একবার শিক্ষার্থীদের জন্য শুভেচ্ছা মিছলি ছাড়া অন্য কিছু হয়না এখানে বলে জানান অধ্যক্ষ। তিনি বলেন, কখনো ছাত্ররা সংসদ নির্বাচনের দাবিই করেননি। এ বিষয়ে কলেজের ছাত্ররাও কিছু বলতে রাজী হননি।

শিক্ষার্থীদের বক্তব্য:

একাদশ শ্রেনির ছাত্রী জেরিন, মুন্নি আক্তার জানান, ছাত্রীনিবাস না থাকায় বাহিরে ম্যাসে থাকতে হচ্ছে। ডিগ্রী পাস কোর্সের ছাত্র নজরুল ইসলাম ও জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষক সংকট থাকায় কিছুটা হলেও শিক্ষাদানে ব্যহত হচ্ছে । তারা হলেন, নিরাপত্তার জন্য লোক থাকলেও কলেজে বেশির ভাগ সময় গরু ছাগল থাকে।

কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য :

কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুর রহমান জানান, পদ সৃষ্টির ৪৩জন শিক্ষকের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। শিক্ষক সংকট নিরসন, ছাত্রীনিবাস নির্মান,অডিটোরিয়াম,পাঠাগার ভবন ও একাডেমিক ভবন নির্মান হলে  কলেজটিতে পূন্যতা পাবে।

 রিপোর্ট »শনিবার, ২০ অক্টোবার , ২০১২. সময়-৯:৪৪ pm | বাংলা- 5 Kartrik 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP