Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

সাঘাটায় ২ হাজার হেক্টর জমির ফসল বন্যার পানিতে নিমজ্জিত

গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ১৪ হাজার ৯শ হেক্টর জমিতে রোপাআমন ও ৮৮ হেক্টর শাক-সবজি চাষ করলেও অসময়ের বন্যায় ২ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ও ৫০ হেক্টর জমির শাক-সবজি পানিতে নিমজ্জিত বলে কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে সাঘাটায় মোট আবাদি ১৮ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমির মধ্যে রোপা আমন চাষের লক্ষমাত্রা ছিল ১৪ হাজার ২শ হেক্টর, আবহাওয়া ভাল থাকায় কৃষকরা অতিরিক্ত ৭’শ হেক্টর জমিতে রোপাআমন লাগায়। এতে করে উপজেলায় মোট ১৪ হাজার ৯’শ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ও ৮৮ হেক্টর জমিতে শাক-সবজি লাগিয়েছিল।বন্যায় পদুম শহর ইউনিয়নে রোপা আমন ১০ হেক্টর, শাকসবজি ১ হেক্টর, ভরতখালি ইউনিয়নে ৩’শ হেক্টর শাকসবজি ১ হেক্টর,সাঘাটা ইউনিয়নে রোপাআমন ৩’শ ৮০হেক্টর শাকসবজি ৮ হেক্টর, মুক্তিনগর ইউনিয়নে রোপা আমন ১০হেক্টর শাক-সবজি ১ হেক্টর, কচুয়া ইউনিয়নে রোপা আমন ৬০হেক্টর শাক-সবজি ৪ হেক্টর, ঘুড়িদহ ইউনিয়নে ১’শ ৪০ হেক্টর শাক-সবজি ২.৫ হেক্টর, হলদিয়া ইউনিয়নে রোপাআমন ৭’শ ৩০ হেক্টর শাকসবজি ১১.৫ হেক্টর, জুমারবাড়ি ইউনিয়নে রোপাআমন ৩’শ হেক্টর শাক-সবজি ১২হেক্টর,কামালেরপাড়া ইউনিয়নে রোপা আমন ৬০হেক্টর শাক-সবজি ২.৫হেক্টর,বোনারপাড়া ইউনিয়নে রোপা আমন ১০হেক্টর শাক-সবজি ১.৫০ হেক্টর আবাদী জমি পানির তলায় নিমজ্জিত রয়েছে। সম্প্রতি জমিগুলো থেকে বন্যার পানি নেমে গেলেও নিমজ্জিত ফলসগুলো পচে বিনষ্ট হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার সোহেল মোহাম্মদ শামসুদ্দিন ফিরোজ (কৃষিবিদ) জানান, পানির নীচে তলিয়ে যাওয়া ফসলের তথ্য কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। তবে চাষিরা কি পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তা এখন নিরুপন করা সম্ভব নয়। বন্যায় ফসলের যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে তাতে খাদ্য ঘাটতি হবেনা। তিনি ফসলি জমিতে রবিশষ্য লাগাতে পারবে বলে মনে করেন। বন্যায় হলদিয়া, ভরতখালি, জুমারবাড়ি ও সাঘাটা ইউনিয়নের কৃষকদের বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানান। এলাকার জনপ্রতিনিধিরা জানায় কৃষক ফসল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। রবিশষ্য লাগানোর জন্য সহযোগিতা না করলে চরম সমস্যায় পড়বে। এতে করে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে। চর দেলুয়া বাড়ীর নুর ইসলাম, আকতার হোসেন জানান, ধারদেনা করে রোপা আমন ও সবজি চাষ করেছিলাম, বন্যায় সব ফসল হারিয়ে এখন দু’চোখে অন্ধকার দেখছি। সামনে অনেক দিন বাকি সবজি বীজ ক্রয়ের সামর্থ নেই, সরকারিভাবে আগামী ফসল চাষাবাদে বীজ ও আর্থিক সহযোগিতা করলে জমি চাষ করা সম্ভব তা না হলে জমি পতিতই থাকবে।

 

 রিপোর্ট »শনিবার, ৬ অক্টোবার , ২০১২. সময়-৯:৫৮ pm | বাংলা- 21 Ashin 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP