Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

ঈ-৪০ জাতের আখ চাষ করে বিপাকে ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ চিনিকলের আখ চাষীরাঃ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

ঈ-৪০ জাতের আখের চাষ করে বিপাকে পড়েছেন ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ চিনিকলের চাষীরা। চিনিকলের ফার্ম থেকে বীজ নিয়ে কৃষকরা এই নতুন জাতের আখের চাষ করেছিলেন। মাঠে অন্যান্য জাতের আখ সাধারনত ৮ থেকে ১০ ফুট লম্বা হলেও এই নতুন জাত ৪/৫ ফুট লম্বা হয়ে থেমে গেছে। কোন ভাবেই আখ গাছ আর বেড়ে উঠছে না। গাছ লম্বা করতে গোড়ায় সার ব্যবহার করলে পাশ থেকে ফুড়কী ছড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

কৃষকরা বলছেন, এই প্রথম তারা ঈ-৪০ জাতের আখের চাষ করেছেন। অজ্ঞাত কারনে এই আখ গাছ বেড়ে উঠছে না। ফলে আখের ফলন অর্ধেকে নেমে আসার আশংকা কৃষকদের। যা আর্থিক ভাবে মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্থ করবে। চিনিকল থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করা তাদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে পড়বে। অবশ্য চিনিকল কর্তৃপক্ষ বলছেন, এটা জাতের কোন সমস্যা না। ক্ষেত্র বিশেষ এক ধরনের পোকার আক্রমন হয়েছে। যে কারনে আখ গাছ বেড়ে উঠছে না। অনেক কৃষকের অনেক ভালো আখ হয়েছে। যা সাধারন আখের চেয়ে ফলন বেশী হবে।

চিনিকলের ফার্মের একটি সুত্র জানিয়েছে, ঈ-৪০ (ঈশ্বরদী-৪০) জাতটি নতুন একটি জাত। গত ২০০৯-২০১০ চাষ মৌসুমে এই জাত মোবারকগঞ্জ চিনিকলের ফার্মে পরীক্ষামূলক চাষ করা হয়। সেখান থেকে বীজ তৈরী করে ২০১০-২০১১ মৌসুমে কৃষকদের মাঝে বিতরন করা হয়েছে। কৃষক পর্যায়ে বীজ তৈরীর জন্য ৯০ একর আর চিনিকলে মাড়াই এর জন্য ১০০ একর জমিতে চাষ করা হয়েছে। ২০১১-২০১২ আখ রোপন মৌসুমে বীজ বিক্রি ও মাড়াই মৌসুমে চিনিকলে আখ মাড়াই করার কথা।

সরেজমিনে কালীগঞ্জ উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের কৃষক মসলেম আলীর ক্ষেতে গিয়ে দেখা যায় আখ গাছগুলো সেভাবে বেড়ে ওঠেনি। মাঠে অন্য জাতের আখ গাছের উচ্চতার চেয়ে ঈ-৪০ জাতের গাছ অধেক অবস্থানে রয়েছে। কৃষক মসলেম আলীর পুত্র মাসুদ রানা জানান, তাদের মোট ১৪ বিঘা জমিতে আখের চাষ রয়েছে। এর মধ্যে ১০ বিঘায় ঈ-৪০ জাতের আখ রয়েছে ১০ বিঘা। এই জাতের বীজ তারা নিয়েছিলেন মোবারকগঞ্জ চিনিকলের ফার্ম থেকে। চিনিকলের কর্মকর্তারা তাদের বলেছিল জাতটি নতুন এসেছে। এই জাতের চাষ করলে বিঘা প্রতি অনেক ফলন পাওয়া যাবে। সাধারনত অন্যান্য জাতে বিঘায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ শত মন আখ পাওয়া যায়। এই জাতে পাওয়া যাবে সাড়ে ৩ থেকে ৪ শত মন। এই বেশী ফলনের আশায় তারা নতুন জাতের চাষ করেন। কিন্তু এখন দেখছেন এই চাষ করে তারা মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। একই জামিতে অন্য জাত চাষ করে আখ গাছ ভালো হয়েছে, কিন্তু ঈ-৪০ জাত এর অবস্থা খুবই খারাপ।

তিনি জানান, আর মাত্র ২/৩ মাস পর আখ চিনিকলে সরবরাহ করতে হবে। ইতোমধ্যে এই আখ গাছ ৭/৮ ফুট উচু হয়ে যাবার কথা। সেখানে ৩/৪ ফুট বেড়ে আর বাড়ছে না। তারা আখ গাছের উচ্চতা বাড়াতে নানা ভাবে সারের ব্যবহার করেছেন। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। বরং গাছের গোড়ায় সার ব্যবহার করলে গাছের গাঁ থেকে ফুড়কী বের হচ্ছে। গাছ বেড়ে উঠার পরিবর্তে ওই ফুড়কী বেড়ে উঠছে। এই কারনে তাদের আখ ক্ষেতে ফলন অর্ধেকে নেমে আসবে। বিঘায় ১৫০ থেকে ২০০ মন ফলন হতে পারে বলে তারা ধারনা করছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি চিনিকল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। চিনিকলের তাদের এলাকার মাঠ কর্মী লুৎফর রহমান মাঠে এসে আখের অবস্থা দেখে ঔষধ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন, কিন্তু তাতেও কোন কাজ হচ্ছে না। তিনি জানান, চিনিকল থেকে তারা ঋন নিয়ে আখের চাষ করেছেন। ক্ষেতে যে ফলন হয়েছে তাতে লাভ আশা করছেন না। ঋণ পরিশোধ করায় তাদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে যাবে। মাসুদ রানা আরো জানান, চিনিকলের ফার্ম থেকে যারা এই বীজ নিয়ে চাষ করেছেন তাদের বেশীর ভাগ কৃষকের একই অবস্থা দেখা দিয়েছে।

কাশিপুর গ্রামের কৃষক লান্টু মিয়া জানান, নতুন জাত ফলন বেশী হবে ভেবে তিনিও ঈ-৪০ জাতের আখ চাষ করেছিলেন। তার জমিতেও একই অবস্থা দেখা দিয়েছে। তিনি চিনিকলের কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে ঔষধ ব্যবহার করেছেন। এতে কিছুটা ভালো মনে হলেও আখের উৎপাদন অনেক কম হবে বলে আশংাক করছেন। তিনিও চিনিকলের ফার্ম থেকে বীজ নিয়ে এই চাষ করেছিলেন। এখন চিনিকলে আখ সরবরাহের সময় এসে গেলেও আখ গাছ সেভাবে বেড়ে উঠেনি।

এ ব্যাপারে চিনিকলের মাঠ কর্মী লুৎফর রহমান জানান, এটা জাতের কোন সমস্যা না। আখের শিকড়ে মাজরা পোকার আক্রমন হয়েছে। ঈ-৪০ জাতের আখেই এই আক্রমন বেশী হয়েছে। যে কারনে আখ গাছ বেড়ে উঠছে না। তিনি বলেন, যাদের এই সমস্যা দেকা দিয়েছে তাদের লকবান অথবা পাইরিবান ঔষধ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। তাহলে এই অবস্থা থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব। কিন্তু কৃষকরা তাদের সেই পরামর্শ নিচ্ছেন না। মোবারকগঞ্জ চিনিকলের ডি.জি.এম (ফার্ম) আবু তাহের জানান, জাতটি তাদের ফার্মে ভালো ফলন হয়েছে। অনেক কৃষকের ক্ষেতেও ভালো হয়েছে। তিনি বলেন, এবার বৃষ্টি কম হওয়ায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। আখের শেকড়ে মাজরার আক্রমন হয়েছে। যা ঠিকমতো পরিচর্জা করলে ঠিক হয়ে যাবে। এটা আখের জাতের কোন সমস্যা না বলে তিনি দাবি করেন।

 

 রিপোর্ট »সোমবার, ১৭ সেপ্টেম্বার , ২০১২. সময়-১০:২৭ pm | বাংলা- 2 Ashin 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP