Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

চাটমোহরে ঘরে ঘরে ভাইরাস সর্র্র্দি-জ্বর

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, পাবনা :

পাবনার চাটমোহরসহ আশে-পাশের উপজেলায় ঘরে ঘরে ভাইরাস সর্দি-জ্বরের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু, বৃদ্ধ থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ। তবে আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, আটঘরিয়া, বড়াইগ্রামসহ আশে-পাশের উপজেলা সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারে জ্বর-সর্দিতে আক্রান্তদের ভিড় বেড়েছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, অসময়ে বষ্টিপাত, ঋতু পরিবর্তন ও ভাইরাসজনিত কারণে জ্বর-সর্দির প্রকোপ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টি, ধুলাবালি ও ঠান্ডা থেকে শরীরকে রক্ষা করতে হবে। এসব বিষয়ে সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে। চার-পাঁচ দিনের বেশি জ্বরে ভুগলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা সম্প্রতি ব্যাপকভাবে বেড়েছে। হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে রোগীদের চাপ সামলাতে অনেক সময় হিমশিম খাচ্ছেন ডাক্তাররা। শিশু বহির্বিভাগে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জ্বর-সর্দিতে আক্রান্তদের অনেককেই হাসপাতালের ওয়ার্ডেও ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

চাটমোহর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারি মেডিকেল অফিসার মোছাঃ নাজমা খাতুন জানান, অসময়ের বৃষ্টি, ধুলাবালি, মৌসুম পরিবর্তন ও ভাইরাসজনিত কারণে লোকজন সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতিনিয়তই আক্রান্তের হার বাড়ছে। প্রায় এক সপ্তাহ জ্বর-সর্দিতে ভুগে এরপর চিকিৎসকদের কাছে আসছেন অনেকে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টাইফয়েড, প্যারাটাইফয়েড শনাক্ত হচ্ছে। সাধারণ ভাইরাস বা মৌসুমজনিত জ্বর-সর্দি হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে কোনোভাবেই এন্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে না। সাধারণ সর্দি-জ্বর ৪/৫ দিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। যদি ৪/৫ দিনের মধ্যে ভালো না হয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। উপজেলা মেডিকেল অফিসাররা আরোও জানান, এ সময় শিশুদের দিকে বেশি দৃষ্টি রাখতে হবে। শিশুরা যেন বৃষ্টিতে না ভেজে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে সেদিকে নজর দিতে হবে। সম্প্রতি সময়ে খুব ভোরে শীত অনুভব হচ্ছে। এটিও জ্বর-সর্দির একটি কারণ।

 রিপোর্ট »শুক্রবার, ১৪ সেপ্টেম্বার , ২০১২. সময়-৪:২৫ pm | বাংলা- 30 Bhadro 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP