Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

রাজনগরে একজন ব্যবসায়ী অপহরনের ঘটনা,অতঃপর পুলিশের কান্ড

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ রাজনগর উপজেলার মোকামবাজারে একটি অপহরন ঘটনা নিয়ে ঘটে গেছে তুলকালাম কান্ড।বাজারের ব্যবসায়ীদের ফোন পেয়ে রাজনগর থানা পুলিশ রাস্তায় ব্যরিকেড দিয়ে গ্রেপ্তার করার পর বের হয় আসল রহস্য।জানা যায়,উপজেলার ফতেপুর গ্রামের ইব্রাহীম মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ আলী ও অপর ভাই আহম্মদ আলী(লন্ডন প্রবাসী)মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল।মোহাম্মদ আলী মোকামবাজারের একজন স্থায়ী ব্যবসায়ী,বৃহস্পতিবার রাত ৯ টায় মোকামবাজারের নিকটবর্তী আলীনাজ কমিউনিটি সেন্টারের পাশ থেকে কয়েকজন লোক একটি প্রাইভেট কারে মোহাম্মদ আলীকে জোর পুর্বক তুলে নিয়ে যেতে চাইলে সে চিৎকার শুরু করে।এসময় প্রাইভেট কারে বসা অপর ৩ জন লোক তাকে মারধর করে চিৎকার না দেবার জন্য মুখ বেধেঁ নিমিষেই গাড়ী নিয়ে উদাও হয়ে যায়।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী একজন মহিলা বিষয়টি সাথে-সাথে বাজারের ফার্মেসী ব্যবসায়ী আতাউর মাস্টারকে জানালে আতাউর মাস্টার বিষয়টি রাজনগর থানা পুলিশকে অবগত করেন।পুলিশ কিছুক্ষণের মধ্যেই রাস্তায় ব্যরিকেড দিয়ে গাড়ী আটক করে গাড়ীতে বসা অপহরনের সাথে জড়িত ৪জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।এদিকে মোহাম্মদ আলী অপহরনকারীরা থানায় আটক হয়েছে শুনে মোকামবাজারের শত-শত ব্যবসায়ী অপহরনকারীদেরএকনজর দেখার জন্য রাজনগর থানায় ভিড় জমায়।জিজ্ঞাসাবাদে অপহরনকারীরা জানায়,তারা আসলে অপহরন কারী নয়,তারা মৌলভীবাজার আদর মাদক নিরাময় ক্লিনিকের স্টাফ।তাদের কাজ মাদক ব্যবহারকারীদের চিকিৎসা করা।কিন্তু মোহাম্মদ আলী তো মাদকাশক্ত নয় প্রশ্ন করা হলে আটককৃতরা জানায়,মোহাম্মদ আলীর ভাই আহম্মদ আলী তাদের ক্লিনিকে গিয়ে বলেছে তার ভাই মাদক সেবন করে বাড়ীতে মা-বাপকে প্রতিদিন মারধর করে তাই তাকে চিকিৎসা করে মাদক সেবনের অভ্যাস দূর করার।হাসপাতালে ভতির্র প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে ও দস্তখত করে ফি বাবদ টাকা ও বিশ হাজার দিয়ে এসেছে।তারই প্রেক্ষিতে তারা মোহাম্মদ আলীকে রাস্তা থেকে ধরে ক্লিনিকে যাচ্ছিল।এদিকে মোহাম্মদ আলীর পিতা ইব্রাহীম থানায় পুলিশের কাছে দেয়া জবানবন্ধীতে বলেন তার ছেলে মাদকাশক্ত নয়।তবে পিতা-মাতার সাথে মাঝে-মধ্যে খারাফ আচরন করে।অপহরনের সীকার মোহাম্মদ আলী জানান,আহম্মদ আলী সম্পত্তির লোভে তাকে অপহরন করে হত্যা করার জন্য আজকের এ ঘটনা ঘটিয়েছে।এ জন্য সে সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি ও করে রেখেছে।পুলিশ রাস্তা ব্যরিকেড দিয়ে উদ্ধার না করলে তাকে হত্যা করে ফেলত।গাড়ীতে তোলার পর চিৎকার না দেবার জন্য তাকে যে মারফিট করা হয়েছে তার দাগ ও পুলিশকে দেখায়।তাই সে থানায় অপহরনের মামলা করবে।পুলিশ এসব ঘটনা শুনে প্রথমে মোহাম্মদ আলীর মামলা নেবার কথা বললে ও কিছুক্ষন পর পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনাঠি আপোষ-মিমাংসা করার জন্য মোহাম্মদ আলীকে চাপ প্রয়োগ করে।আপোষ না করলে তাকে অন্য মামলায় জেলে পাটানোর ও হুমকি দেয় পুলিশ।ঘটনাঠি সাথে-সাথে থানায় উপস্থিত একজন ব্যবসায়ীর পক্ষ থেকে এ প্রতিবেদককে ফোন করে জানানো হলে চেষ্টা করা হয় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের।ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাইল রিসিভ না করার কারণে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে ফোন দেয়া হয় এসপি মৌলভীবাজারকে।তিনি ও প্রতিবেদকের ফোন রিসিভ না করায় বিষয়টি মোবাইল ফোনে তাৎক্ষণিক সিলেট রেঞ্জের ডিআইজিকে অবগত করা হয়।সাথে-সাথে ডিআইজি সিলেট রেঞ্জ ফোন করেন রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিনকে।ওসি নাজিম উদ্দিন সাংবাদিকের এ অভিযোগ মিথ্যা বলে ডি আইজিকে জানিয়ে থানায় উপস্থিত এ,এস,পি কুলাউড়া সার্কেলের কাছে ফোন দেন।কুলাউড়া সার্কেল ও ডিআইজিকে জানান,এটা একটি পারিবারিক বিরোধের ঘটনা।এদিকে পুলিশ সাদা কাগজে ভিকটিমের দস্তখত নিতেছে বলে থানায় উপস্থিত আরেকজন ব্যবসায়ী এ প্রতিবেদককে জানানোর পর প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে পুনরায় ফোন দেয়া হয় ডিআইজি সিলেটকে।এসময় ডিআইজি সিলেট জানান,আমার ওসি সার্কেল এসপি বলতেছে সেটা অপহরন ঘটনা নয়,সাংবাদিককের পক্ষ থেকে তখন ডিআইজিকে অনুরুধ করা হয় পুলিশ বলছে অপহরন নয় আর বাজারের শত-শত ব্যবসায়ী বলছে অপহরন এদিকে ভিক্টিম ও থানায় আছে আপনি একটু ভিকটিমের সাথে ওসির মোবাইলে কথা বলে দেখেন আসলে তাকে পুলিশের পক্ষ থেকে কোন চাপ দেয়া হচ্ছেকিনা।এ কথার উত্তরে ডিআইজি বলেন ভিকটিমের সাথে কথা বললে আমার ওসি এবং সার্কেলের মানসম্মান রইল কই?অবশেষে রাত ১২ টায় পুলিশের অব্যাহত চাপে বিকটিম মোহাম্মদ আলী মামলা না করেই থানা থেকে ফেরত আসেন,আর গ্রেপ্তারকৃতদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।

 রিপোর্ট »শুক্রবার, ২৭ জুলাই , ২০১২. সময়-৯:৫৯ pm | বাংলা- 12 Srabon 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP