Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

চলনবিলে নদী-খাল-বিল ভরাট উৎসব : কৃষি ও জীব বৈচিত্র্য হুমকির মুখে

জাহাঙ্গীর আলম, পাবনা :

পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলের অধ্যুষিত উপজেলাগুলোতে নদী-খাল-বিল অবাধে ভরাট করে গড়ে উঠছে বাড়িঘর, দালানকোঠা ও দোকানপাট। যার ফলশ্রুতিতে শস্যভান্ডার ও মৎস্য অভয়রন্য বৃহত্তম চলনবিলের কৃষি ও জীব বৈচিত্র্য হুমুকির মুখে পড়েছে। পরিবেশগত দিক থেকে ইদানীং প্রশাসনিক কোনো বাধা না থাকায় এই কার্যক্রম বেগবান হয়ে দ্রুত জলাধারগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। নদীনালা, খাল-বিল দখল ও ভরাট বিষয়ে অভিযোগ করলে স্থানীয় সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, এটা পরিবেশ অধিদফতরের কাজ। বগুড়া পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক জানান, খাল-বিল রক্ষার দায়িত্ব স্থানীয় ভূমি অফিসের। প্রকৃতপক্ষে উপজেলা পর্যায়ে পরিবেশগত উন্নয়নে কারও দায়দায়িত্ব নেই। এদিকে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সম্প্রতি দেশে যে আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন হয়েছে, সেই আইনের বদৌলতে সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিদের পকেট ভারি হলেও পরিবেশগত উন্নয়নে এই আইন শুধু কাগজ-কলমেই রয়ে গেছে।

চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, বড়াইগ্রাম উপজেলার বুকচিরে বড়াল নদীসহ ফুলজোড় নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা চারপাশে অসংখ্য খাল-বিল, নদী-নালা বেষ্টিত। এর ফলে উর্বর ফসলি জমি, মাছ আর জীববৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ ছিল এ এলাকা। কিন্তু উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিত প্রকল্প, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দুর্নীতি ও সাধারণ মানুষের অসচেতনতায় সেই জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির সম্মুখীন। চলনবিলের প্রবাহিত বহু প্রাচীন ফুলজোড় শাখা নদী ও অসংখ্য নদী-নালায় সরকারি প্রকল্প দিয়ে তৈরি করেছে রাস্তা। সেখানে ভূমিদস্যুরা ভরাট করে গড়ে তুলছে দোকানপাট। বিশেষ করে বিগত ৩ বছর এই কার্যক্রম চলছে বাধাহীনভাবে। প্রতিদিন শহরের আশপাশ অবরুদ্ধ হচ্ছে শাখা নদীগুলোর গতিপথ। অন্যদিকে ভরাট হচ্ছে পুরনো পুকুরগুলো। সড়ক ও জনপথের অসংখ্য কালভার্ট ও ব্রিজের মুখ মাটি ফেলে পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে।

চলনবিলে এরই মধ্যে বিভিন্ন উপজেলার প্রায় ১০টি বিল, ১৫ টি শাখা নদী, ৪০ টি প্রাচীন পুকুর ও অসংখ্য জলাশয় প্রায় স্থায়ীভাবে ভরাট হয়ে গেছে। এভাবে নদী-নালা ও জলাধারগুলো ভরাট হওয়ায় এই এলাকার ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে আবাসিক এলাকার চাপকলগুলোতে কোনো পানি থাকছে না। প্রায় সবক’টিই এখন সাবমার্চ পদ্ধতি পাম্পের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। নদীর শাখা-প্রশাখায় পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ও বর্ষা মৌসুমে জলাধারে পানি জমতে না পারায় ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নবায়ন হতে না পেরে ক্রমেই তা স্থায়ীভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। খরা মৌসুমে চলনবিলের ভাঙ্গুড়া উপজেলার ময়দান দীঘি, নওগাঁ, চন্ডিপুরসহ অধিকাংশ গ্রামেই পানির স্তর অস্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে যাওয়ায় ৩০/৪০ ফুট গভীর দীঘি, পুকুর ও খালের তলায় নলকূপ বসিয়ে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। খরার প্রভাবে ফসলের সম্ভার, মৎস্য ও জীববৈচিত্র্যপূর্ণ চলনবিল বিধৌত এই এলাকা স্থায়ীভাবে মরুকরণের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

এব্যাপারে স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠন শৈবাল একাধিকবার মানববন্ধন ও প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েছে। এলাকার জলবায়ুগত পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নদী, খাল-বিল ও জলাধার দখলমুক্ত করা এবং সংস্কার বিষয়ে বিগত ৩ বছরে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এই ধারা আর কিছুদিন অব্যাহত থাকলে বর্ষা মৌসুমে এলাকাবাসী হবে জলাবদ্ধতার শিকার আর শুষ্ক মৌসুমে পড়বে সুপেয় পানির সঙ্কটে, কৃষি ও জীববৈচিত্র্যে পড়বে বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে সতেচন মহলের অভিমত।

 রিপোর্ট »মঙ্গলবার, ১৯ জুন , ২০১২. সময়-১০:১৬ pm | বাংলা- 5 Ashar 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP