Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

সেচ সুবিধা অপ্রতুল: পটুয়াখালীর দুমকিতে আউশ ও ইরি’র আবাদ হয়নিঃ কৃষক পরিবারে চরম হতাশা

ইমাদুল হক প্রিন্স,পটুয়াখালি(দুমকি)থেকে:- পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় ভরামৌসুমে প্রয়োজনীয় সেচের পানির অভাবে কৃষকরা আউশ ও ইরির আবাদ করতে পারেনি। পাউবো’র ওয়াপদা বেষ্টনীর অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক উৎসে নদী-নালার পানির প্রবেশ বন্ধ থাকায় সেচের পানির অভাবে ৫ইউনিয়নের প্রায় ৬হাজার হেক্টর আউশ-ইরি আবাদের জমি ঠাঁয় অনাবাদী পড়ে আছে।  ভরামৌসুম শেষ হতে চললেও কেউ এক শতাংশ জমিতেও আউশের আবাদ করতে না পারায় কৃষকরা চিন্তিত হয়ে পড়েছে।

উপজেলা কৃষিবিভাগ সূত্রে জানাযায়, দুমকি উপজেলার লেবুখালী, পাংগাশিয়া, আংগারিয়া, মুরাদিয়া ও শ্রীরামপুর ইউনিয়নে ইউনিয়নে সাড়ে ৯হাজার হেক্টর আবাদী জমি রয়েছে। চলতি রবি মৌসুমে প্রায় সাড়ে ৩হাজার হেক্টর জমিতে  আলু, মরিচ, মুগ, মশুরী, তিল, তিসিসহ বিভিন্ন জাতের রবি ফসলের আবাদ করা হয়েছে। বাকী ৬হাজার হেক্টর জমি আউশ ও ইরি আবাদের জন্য উপযুগী যা সেচের পানির অভাবে ফাঁকা পড়ে আছে। চারিদিকে প্রবাহমান পায়রা, লোহালিয়া, কদমতলা নদীর প্রাকৃতিক উৎসের পর্যাপ্ত পানির সুবিধা সত্ত্বেও ওয়াপদা ভেরিবাঁধ বেষ্টিত থাকায় পানির প্রবেশ  বন্ধের কারনে কৃষকরা আবাদ করতে পারছে না। স্লুইজগেটগুলো অকেঁজো ও স্থায়ী ভাবে বন্ধ, আভ্যন্তরীণ খাল-নালা ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচের পানির সংকটে এ উপজেলায় আউশ-ইরিা ও বোরোর আবাদ মারাত্মক ভাবে ব্যহত হয়ে আসছে। আউশ আবাদের মৌসুম শেষ পর্যায়ে গড়িয়ে গেলেও পানির অভাবে আবাদ করতে না পারায় কৃষকরা চিন্তিত হয়ে পড়েছে। সরেজমিন দুমকি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,  হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি শুন্য অনাবাদি পড়ে আছে। পায়রা, লোহালিয়া, কদমতলা নদী ও আভ্যন্তরীণ বিভিন্ন খালের তীরবর্তি এলাকা গুলোর সামান্য কিছু জমিতে আলু, মরিচ, মুগ, তিল, তিসিসহ বিভিন্ন জাতের রবি ফসলের আবাদ করা হলেও বেশীর ভাগ ফসলি জমিই ফাঁকা রয়েছে। উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক আবদুল খালেক হাওলাদার জানান, পানির অভাবে এলাকার কৃষকরা কেউ জমি চাষাবাদ করতে পারছেন না। এ কারনে ইরি বোরোর ভরামৌসুম পেরিয়ে গেলেও তিনি ইরি বোরো ও আউশের আবাদ করতে পারেন নি। মাঠে বৃষ্টি কিম্বা প্রকৃতির পানির অপেক্ষায় রয়েছেন সকল কৃষক। পানি পেলেই সবাই চাষাবাদ আরম্ভ করবেন বলে জানান, তিনি আক্ষেপ করে বলেন, প্রকৃতিক দুর্যোগ-বন্যা জলোচ্ছাসের হাত থেকে রক্ষার জন্য ওয়াপদা ভেরিবাঁধ দিয়ে এখন চাষাবাদই বন্ধ হয়ে গেছে। আমন ফসলে যাদের সংসার চলে না, সেসব কৃষক আউশ-ইরির আবাদ করতে না পেরে চরম দুর্ভোগে হাবুডুবু খাচ্ছে। তিনি আরও জানান, এ বার আমন মৌসুমে তার ঘরে মাত্র ৪/৫মাসের খাবারের চাল উৎপাদন হয়েছে। বাকী ৭মাসের খাবারের ঘাটতি রয়েছে। এ অবস্থায় ইরি বোরোর আবাদ করতে না পারায় চোখে সর্ষে ফুল দেখছেন। চরবয়েড়া গ্রামের শাহজাহান কাজী, আবু হানিফ মোল্লা, রাজাখালীর আবদুল মজিদ হাওলাদার, আবদুল আজিজ খা, জলিশা গ্রামের মোঃ ইউনুচ আলী মৃধা, হোচেন গাজীরাও আউশ-ইরির আবাদ করতে না পারার হতাশা ব্যক্ত করেছেন।  তারা প্রত্যেকেই ভবিষ্যত খাবার সংকটের চিন্তায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কৃষকরা আক্ষেপ করে বলেন, ইরি-বোরোর আবাদ করতে পারলে ঘাটতি পুষিয়ে নেয়া যেত। এখন তাদের  দু’কূলই গেছে। পেশাজীবি কৃষক পরিবারের পাশাপাশি পা্রন্তিক কৃষক, কৃষি শ্রমিক ও কৃষাণ-কৃষাণীদেরও এতে চরম দু:সময় কাটাতে হচ্ছে। মাঠে কৃষির আবাদ না থাকায় কর্মহীন হয়ে পরা দিনমজুরী খাটা এ সব শ্রমজীবিদের প্রায় অর্ধ-লক্ষাধিক পরিবারে এখন চরম খাদ্যাভাব রয়েছে। এ সব অসহায় পরিবারগুলো ধার-দেনা গ্রস্থ , দাদনগ্রস্ত হয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন গুজরান করছে। কৃষকরা বৃষ্টির অপেক্ষায়, আর  কৃষি শ্রমিক ও কৃষাণ-কৃষাণী রয়েছে কাজের অপেক্ষায়।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ও বরেন্য কৃষিবিদ প্রফেসর ড. সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, উপজেলার চারিদিকে পাউবো’র ওয়াপদা ভেরিবাঁধ থাকায় অভ্যন্তরীণ খাল ও নালা-নর্দমা ভরাট হওয়ায় নদীর স্বাভাবিক জোয়ারের পানির প্রবাহ ভেতরে প্রবেশ করছে না। আউশ-ইরি ও বোরোর আবাদে সেচ একটি বড় সমস্যা। ব্যক্তিগত পর্যায়ে কেউ কেউ পাম্প ব্যবহার করে সামান্য পরিমানের জমিতে ইরি-বোরোর আবাদ করতে সক্ষম হলেও সকল কৃষকের দ্বারা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে আউশ আবাদে প্রকৃতির ওঠা পানি ও বৃস্টির দিকে চেয়ে থাকতে হচ্ছে কৃষকদের।

 রিপোর্ট »সোমবার, ২৮ মে , ২০১২. সময়-১১:০২ pm | বাংলা- 14 Joishtho 1419
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP