Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

চট্টগ্রাম-নাজিরহাটগামী ট্রেন সংকটঃ

 হাটহাজারী(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি :

চট্টগ্রাম-হাটহাজারী ও নাজিরহাট লাইনের রেলওয়ের যাত্রীরা  সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দীর্ঘ বহু বছর ধরে এ লাইনে উন্নত ট্রেন সার্ভিস না থাকায় যাত্রীরা দুর্ভোগের মধ্যে ট্রেনে করে যাতায়াত করতে হচ্ছে। তা ছাড়া ট্রেন সার্ভিস কম থাকায় মারাত্নক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদেরকে। প্রতিদিন চট্টগ্রাম-নাজিরহাট ট্রেনের যাত্রীদের উপছে পড়া ভীড় রক্ষ্য করা গেলেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষে অবহেলা কারনে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে উত্তর চট্টগ্রামবাসী। সরকার চট্টগ্রাম-নাজিরহাট রেল থেকে বিপুল পরিমানে রাজস্ব আয় করে থাকেন।জানা যায়, রেল কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর আগে লোকসানের অজুহাতে ট্রেন সার্ভিস বন্ধের সিন্ধ্যামত্ম নেয়ার ফলে উত্তর  চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ চট্টগ্রাম নাজিরহাট শাখা লাইনের কর্মচঞ্চল ১৫টি রেল ষ্টেশনে যাত্রীহীন, নিথর, নিঃশব্দ, ফাঁকা অবস্থা বিরাজ করছে। এক সময়ে কর্মব্যসত্ম চট্টগ্রাম-হাটহাজারী শাখা লাইনের রেলস্টেশনগুলোতে এখন আর দেখা যায়না মানুষের কোলাহল,শোনা যায় না ট্রেন আসা যাওয়া ঝনঝন শব্দ। ট্রেন সার্ভিস বন্ধ থাকার কারণে রেলওয়ে স্টেশন কেন্দ্রিক গড়ে উঠা ব্যবসা বাণিজ্যগুলোও বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছে। পুরোদমে এই লাইনের ট্রেনগুলো আদৌ চালু হবে কিনা তার কোন সঠিক তথ্য অদ্যাবধি পাওয়া যায়নি। ট্রেন সার্ভিস বন্ধ থাকায় ট্রেনের ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার যাত্রীকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ। অপরদিকে চাষীদের উৎপাদিত তরি-তরকারি ট্রেন যোগে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চাষীরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। উত্তর চট্টগ্রামের কৃষকদের উৎপাদিত বিভিন্ন তরিতরকারী ট্রেন যোগে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রেরণ করতে না পেরে বর্তমানে তারা ট্রাক যোগে দেশের প্রত্যমত্ম অঞ্চলে সরবরাহ করে আসছে। অন্যদিকে ট্রেন বন্ধ থাকার সুযোগে রেলওয়ের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তায় বিপুল পরিমাণ রেল সম্পত্তি অবৈধ দখলদারের হাতে চলে যাচ্ছে। চুরি হয়ে যাচ্ছে রেলওয়ের মূল্যবান সম্পদ ও সি­পার। এই শাখা লাইনটির আশপাশে তিন থেকে ৪শ একরের মতো জমির মধ্যে রয়েছে পুকুর, ফসলি জমি, প­লট ও মৌসুমী বাজার। নাম মাত্র মূল্যে একসনা বন্দোবসত্মীর নামে এসব পুকুর ও জমিগুলো একশ্রেণীর প্রভাবশালী মহল রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে এসব মূল্যবান সম্পত্তিগুলো আত্মসাৎ করে চলেছে। প্রভাবশালী মহলগুলো রেলের পুকুরগুলোতে মৎস্য চাষ, জমিতে বিভিন্ন মার্কেট, দোকানঘর ও বসিত্ম নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। দখলকারীদের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। যার কারণে রেল কর্তৃপক্ষ এসব অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদের কোন কার্যকরী ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফলে নতুন নতুন এলাকায় দখল প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। রেল কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় রেলষ্টেশনের কোয়াটারগুলোও ধ্বংসের ধার প্রামেত্ম এসে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতবিক্ষত ও শ্রীহীন হয়ে পড়ছে ষ্টেশনের প­াটফরমগুলো। ভেঙে যাচ্ছে স্টেশন সংলগ্ন যাত্রী ছাউনি। স্টেশনগুলোতে রাতের বেলায় জুয়ার আড্ডা ও অসমাজিক কার্যকলাপ চলে। এ দিকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম নাজিরহাট রেললাইনের বেশ কয়েকটি স্টেশন বন্ধ করে দেয়। এর মধ্যে গুরুত্বপুর্ণ স্টেশন জোবরা ও ফতেয়াবাদ স্টেশনে ট্রেন না থামানোর কারনে অধিকাংশ যাত্রী ট্রেনে যাতায়াত করতে পারেছেন না।

 

সূত্রে জানা যায় অবিভক্ত আসাম রেলওয়ে ১৯২৯- ১৯৩১ সালে পূর্বাঞ্চলীয় রেল চট্টগ্রাম-নাজিরহাট পর্যমত্ম দীর্ঘ ৩৬ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করে। তখনকার সময়ে পুরো উত্তর চট্টগ্রামের লোকজন শহরে যাতায়াতের জন্য একমাত্র মাধ্যম ছিল হাটহাজারী ও নাজিরহাট পর্যন্ত প্রায় ১৫টি ও অধিক রেলওয়ে স্টেশন। তখন ফটিকছড়ি বিভিন্ন এলাকা থেকে যাত্রীরা নির্দিষ্ট সময়ে বাস, জীপ, সিএনজি করে নাজিরহাট এসে ট্রেনযোগে চট্টগ্রামসহ দেশে্র বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করত। তখন টিকেট বিক্রি ও বুকিং বাবদ রেলওয়ের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় হতো। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দূনীর্তি এবং নানা অনিয়মের অজুহাত দেখিয়ে পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম উত্তর চট্টগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ এ লাইনটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে থাকে। চলাচলরত ট্রেনের বগিগুলোতে আলো, পাখার কোন ব্যবস্থা ছিলনা। যাত্রীদেরকে টয়লেটে গিয়ে পানির অভাবে ফিরে আসতে হতো। ছাড়পোকার কামড়ে সিটে বসা যেতো না। এছাড়া ট্রেনগুলো নির্দিষ্ট সময়ে গমত্মব্যসত্মলে পৌছাতেও পারতো না। কিন্তু সংশি­লষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব অনিয়মের সঠিক সমাধানের কোন পদক্ষেপ না নিয়ে এই লাইনটিকে অলাভজনক ঘোষণা দিয়ে কয়েকটি ট্রেন সার্ভিস একযোগে বন্ধ করে দেয়।

 

পরবর্তীকালে যাত্রী সাধারণের দাবির মুখে একটি ট্রেন সার্ভিস চালু করে। বিভিন্ন সত্মরের জনসাধারনের সাথে আলাপ করে জানা যায় চট্টগ্রাম থেকে হাটহাজারী – নাজিরহাট পর্যমত্ম রেললাইন সংস্কার করে যদি পূর্বের ন্যায় আরো কয়েকটি ট্রেন চালু করে এক ঘন্টার মধ্যে চট্টগ্রাম-নাজিরহাট পর্যমত্ম ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয় তাহলে একদিকে রেলওয়ে ফিরে পাবে তার হারানো ঐতিহ্য অন্যদিকে সাধারণ মানুষ পাবে আর্থিক সুবিধা, সরকার পাবে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। স্থানীয় সর্বসত্মরের জনগণ বর্তমান সরকারের দিন বদলের পালা হিসাবে চট্টগ্রাম-নাজিরহাট পর্যন্ত আরো কয়েকটি ট্রেন সার্ভিস দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্থক্ষেপ কামনা করেন।

 

 রিপোর্ট »সোমবার, ১৯ মার্চ , ২০১২. সময়-১০:১৬ pm | বাংলা- 5 Chaitro 1418
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP