Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

চাটমোহরে বড়াল নদীতে খননের নামে ৮টি প্রকল্পের ৬৮ লাখ সরকারী অর্থ লুটপাটের মহাৎসব

পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার চাটমোহর উপজেলার বহুল আলোচিত প্রায় ২২ শত বছরের পুরাতন ঐতিহ্যবাহী বড়াল নদীতে একাধিক স্থানে খনন কাজের নামে সরকারী অর্থ লুটপাটের মহাৎসব চলছে। যা একদিকে সরকারী দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে পাশাপাশি জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যার জনপ্রিয়তার উপর প্রভাব ফেলছে। বহুল আলোচিত বড়াল নদীকে অবক্ষয়িত জলাশয় উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা এবং দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ সংরক্ষণ প্রকল্পের নামে উপজেলার গুনাইগাছা, বিলচলন এবং হরিপুর ইউনিয়নের অংশে ৮ টি প্রকল্প মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদন দেয়া হয়। যার বরাদ্দ ধরা হয় ৬৮ লাখ টাকা। বর্তমানে তড়িঘড়ি করে খনন কাজ শুরু করে। প্রকল্প প্রস্তাবনা, আদালতে প্রদত্ত হলফনামা এবং আদালতের রায় ভঙ্গ করে সরকারী অর্থ লুটপাট চলছে।

একাধিকবার প্রকল্প খনন এলাকায় পরিদর্শনকালে দেখা যায়, বড়াল নদীর সীমানা চিহ্নিত না করে এবং ভূমি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আ,ক,ম মোজাম্মেল হক এমপির ডিও লেটার, ভূমি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ষষ্ঠ বৈঠকের মুলতবী বৈঠকের সিদ্ধান্ত, ভূমি মন্ত্রনালয় কর্তৃক প্রেরিত পত্র, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পত্র, নদী বিষয়ক টাস্কফোর্সের ৭ম এবং ১১ তম সভার সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভূয়া তথ্য ও উপাত্ত উপস্থাপন করে গোপন অাঁতাতের মাধ্যমে ওই প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়। বর্তমানে ওই প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থই চিহ্নিত কিছু দূর্ণীতিবাজরা সংশ্লিষ্ট মৎস্য কর্মকর্তাদের যোগসাজসে লুটপাট করা হচ্ছে। অপরদিকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানদের অবৈধ অর্থ ব্যয়ে প্রকল্প কর্মকর্তাদের যোগসাজসে নাম মাত্র খনন কাজ দেখিয়ে সরকারী অর্থ লটপাটের অভিযোগ সর্বত্রই মুখে মুখে গুঞ্জরিত হচ্ছে।এদিকে বড়াল রক্ষা আন্দোলন কমিটি বড়াল নদীর নানা অনিয়ম/প্রকল্প গ্রহনের প্রেক্ষিতে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। বিজ্ঞ আদালত ওই মামলার প্রেক্ষিতে স্থিতাবস্থা জারি করেন। কিন্তু প্রকল্প প্রস্তাবকারী স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতা পরবর্তীতে হলফনামা দিয়ে এবং আদালতের শর্ত সাপেক্ষে বড়াল নদীর স্থিতাবস্থার আদেশ স্থগিত করা হয়। আদালতে হলফনামা প্রদানকারী চাটমোহর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব হোসেন খান। তিনি স্বজ্ঞানে ওই হলফনামায় স্বাক্ষর করেন। বর্তমানে বড়াল নদীকে সংকুচিত করে সুফলভোগীদের পাশ কাটিয়ে মেশিন দিয়ে মাটি কাটাচ্ছে। নদীর গাঁ ঘেষে মাটি কেটে পাড়ে ফেলা হচ্ছে। যা সামান্য বৃষ্টি হলেই আবার নদীতে গিয়ে পড়বে। ওই মাটি পূর্বের স্থানে গিয়ে নদীর তলদেশ ভরাট ও উঁচু হয়ে নদীর নাব্যতা হারাবে। যা নদীর পানির প্রবাহ হারাবে। অনেকে আবার ওই মাটি অর্থের বিনিময়ে অন্যত্র বিক্রি করে দিচ্ছে।এদিকে গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন সংলগ্ন বড়াল নদীতে একই স্থানে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন এর পানাসি সেচ এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প কর্তৃক স্বারক নং পিডি/পানাসি/২য়/হিসাব/খাল পুনঃ খনন/০৯/২০০৮-০৯/৮৩৭, তাং ০২/০৩/২০০৯ প্রকল্পের মাধ্যমে ১০.৮১.৭৫৭ (দশ লাখ একাশি হাজার সাতশত সাতান্ন) টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন এলাকা হচ্ছে গুনাইগাছা ইউনিয়নের বড়াল নদী-০৩ ব্রীজের পূর্ব দিকে ৪৩৭ মিটার হতে ১০০০ মিটার অর্থাৎ ৫২৭ মিটার। যার মাটির পরিমান ১৯৬৫৯ ঘন মিটার। মৎস্য অধিধপ্তর কর্তৃক একই স্থানে অর্থাৎ বড়াল নদীর জলকর টিএস কেস নং ৩০ (পাব) যার প্রকল্প বাস্তবায়নের স্থান গুনাইগাছা শ্মশান ঘাট থেকে মন্ডলপাড়া শ্মশান ঘাট পর্যন্ত। যার বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। যা নিয়ে বর্তমানে মৎস্য অফিসের উর্ধ্বস্তন কর্তৃপক্ষসহ সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিক দূর্ণীতিবাজ কর্মকর্তাগণ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। প্রকল্প উপস্থাপনকারী এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বর্তমানে যারা আছেন তারা পানাসি প্রকল্পের সাথেও সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তথ্য গোপন করে একই স্থানে একাধিক প্রকল্প দিয়ে পুরো অর্থ লুটপাট করেছে।

এছাড়া বড়াল রক্ষা আন্দোলন কমিটির সদস্য সচিব এস,এম মিজানুর রহমান প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মৎস্য কর্মকর্তার নিকট তথ্য প্রাপ্তির আবেদন করলে ওই কর্মকর্তা যথা সময়ে তথ্য প্রদান না করে নানা তালবাহানা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে তিনি নামমাত্র খনন কাজের উদ্বোধন করে আংশিক তথ্য প্রদান করেন। প্রকল্পে সুফলভোগীদের নামের তালিকা রহস্যজনকভাবে প্রদান না করে গোপন করেছেন। যা নিয়ে আন্দোলন কমিটি, সুফলভোগী এবং বড়ালপাড়ের মানুষদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। বড়াল নদীর হরিপুর অংশে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, হরিপুরের ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে নদী খনন কাজের শর্তভঙ্গের অভিযোগ এখন সুস্পষ্ট। অন্যদিকে মৎস্য কর্মকর্তা, স্থানীয় এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ইউপি চেয়ারম্যানদের সহযোগীতায় ওই প্রকল্প অনুমোদন করান মর্মে বক্তব্য দেয়। মৎস্য কর্মকর্তার ওই বক্তব্যের তারা কোন প্রতিবাদ করেননি। যা জনমনে এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যানদের নির্বাচনী ওয়াদা ভঙ্গ হয়েছে বলে মনে করেন সাধারণ জনগণ। বড়াল নদীর সৃষ্ট খনন কাজের ব্যাপারে বিজ্ঞ আদালতে আপীল দায়ের করা হয়েছে।

 রিপোর্ট »মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ , ২০১২. সময়-৯:৪৫ pm | বাংলা- 30 Falgun 1418
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP