Breaking »

Warning: include(/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php): failed to open stream: No such file or directory in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

Warning: include(): Failed opening '/home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single-sidebar.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/shesherk/public_html/wp-content/themes/shesherkhobor/single.php(2) : eval()'d code(1) : eval()'d code on line 2

কোটি টাকা আমানত,নিয়ে উধাও দেশ মাল্টিপারপাস

মিরসরাই(চট্রগ্রাম )প্রতিনিধি:১৪ডিসেম্বর:চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় প্রায় ২৫০ গ্রাহকের আমানত নিয়ে উধাও হয়ে গেছে দেশ মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড। মাল্টিপারপাস কর্তৃপক্ষের অনুপস্থিতির কারণে বিনিয়োগের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওনা না গেলেও গ্রাহকদের দাবী, কমপক্ষে এক কোটি টাকা হাতিয়ে অফিস এবং বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন তারা। সংস্থার তিনটি কার্যালয়ে ২০ দিন ধরে তালা ঝুলছে।

গ্রাহকের বিনিয়োগ ফেরত দেওয়ার সর্বশেষ নির্ধারিত দিন ছিল শনিবার। এ জন্যে বেশ কয়েকজন গ্রাহক সংস্থার করেরহাট কার্যালয়ে ভিড় জমান। তবে শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করেও কর্তৃপক্ষের কাউকে না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন তারা। ফিরে যাওয়ার আগে বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা এ প্রতিবেদকের কাছে নানা অভিযোগ করেন। এদের মধ্যে অনেকেই অতি-দরিদ্র অথচ লাভের আশায় এখানে বিনিয়োগ করেছিলেন।

তারা জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে সংস্থার করেরহাট কার্যালয়ে তালা ঝুলছে। কয়েকদিন ধরে সংস্থা তালাবদ্ধ দেখে তারা প্রধান কার্যালয় বারইয়ারহাটে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, সেটি বন্ধ রয়েছে আরো আগে থেকে। অনুরূপভাবে অন্য শাখা ফেনীর পরশুরাম কার্যালয়টিও তালাবদ্ধ। তিনটি কার্যালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোনগুলো বন্ধ রয়েছে। তাদের সন্ধানে গ্রাহকরা প্রত্যেকের বাড়িতে গিয়ে দেখতে পান, স্ব-পরিবারে পালিয়েছেন তারা।

জানা গেছে, ২০০৬ সালে সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধন (নম্বর ০৮৬৫৫) নিয়ে যাত্রা শুরু করে সংস্থাটি। প্রতারণা থেকে দূরে থাকা এবং গ্রাহকের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এর যাত্রা শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে গ্রাহকের টাকা শোধ করতে হিমশিম খায় সংস্থাটি। সংস্থার আমানত ও আকর্ষণীয় সঞ্চয়ী স্কীমে মোট ছয় ধরণের হিসাব চালু রয়েছে। সেগুলো হল সঞ্চয় হিসাব (এসএ), মেয়াদী আমানত জমা (এফডিআর), মাসিক উপার্জন প্রকল্প (আইডিআর), মাসিক সঞ্চয় আমানত প্রকল্প (এমএসএ), দৈনিক সঞ্চয় আমানত প্রকল্প (ডিএসএ) এবং মুদারাবা হজ্ব সঞ্চয় প্রকল্প (এমএইচএসপি)। শুরু থেকে সংস্থার এ শাখার সঙ্গে ওঁৎপ্রোতভাবে জড়িত এমন একাধিক গ্রাহকের দেওয়া তথ্য মতে, এ শাখায় গ্রাহকের সংখ্যা কমপক্ষে ২৫০ জন।

করেরহাট বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী সঞ্জিত বণিক ১৫ লাখ টাকা, ব্যবসায়ী মোসাদ্দেক আলী ১৫ লাখ, সুজন পাল চার লাখ, ওবায়দুল হক কোম্পানী তিন লাখ, শাকিল সাড়ে তিন লাখ, রিপাত মঈন এক লাখ, নাসির উদ্দিন সাড়ে চার লাখ, করেরহাট আদর্শ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি ছয় লাখ ৭০ হাজার, শামসুদ্দীন দুই লাখ, নরসুন্দর রিপন পাল ৬০ হাজার, লাইনম্যান রবিউল হোসেন সাড়ে ১৩ হাজার, ব্যবসায়ী মো. রিয়াজ ৯৭ হাজার, গৌতম বণিক ৭২ হাজার, শুটকী ব্যবসায়ী খগেন্দ্র ব্যবসায়ী ৮৫ হাজার, মো. এয়াছিন টিটু এক লাখ ২৬ হাজার, পান ব্যবসায়ী আবু ছালেক এক লাখ ৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন বিভিন্ন হিসাবে।

শনিবার বিকালে সংস্থার করেরহাট কার্যালয়ের সামনে দেখা গেছে, এসব বিনিয়োগকারী জড়ো হন সেখানে। তারা বলেন, ওরা প্রথমে কয়েকজন গ্রাহকের নির্দিষ্ট টাকা ফেরত দিতে পারছিল না। কয়েকদফা দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত উধাও হয়ে যায়। সংস্থার চেয়ারম্যান মঈনুল আহসান পারভেজ উপজেলার ১০ নম্বর মিঠানালা ইউনিয়নের মিঠানালা গ্রামের ইসমাঈল মিস্ত্রী বাড়ির মৃত আবুল কালাম মাষ্টারের পুত্র, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল আবছার ভূঁঞা ইসমাঈল ফেনীর পরশুরাম উপজেলার ধনীকুন্ডা গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিন ভূঁঞার পুত্র এবং করেরহাট শাখার ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ আল মামুন ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সুজাপুর গ্রামের কাজী বাড়ির বাসিন্দা।

গ্রাহক সুজন পাল বলেন, ‘আমার বিনিয়োগকৃত তিন লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা করেনি তারা।’

সংস্থার প্রধান কার্যালয়টি বন্ধ হওয়ার খবর পেয়ে সরেজমিন দেখতে যান উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন রুমী। তিনি বলেন, কয়েকজন গ্রাহকের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে বারইয়ারহাটে গিয়ে বিষয়টির সত্যতা পেয়েছি। খোঁজ নিয়ে জেনেছি, সংস্থার চেয়ারম্যানের বাড়ি মিঠানালা এলাকায়। তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, গ্রাহকরা একসঙ্গে এত টাকা এখানে কেন বিনিয়োগ করেছেন বুঝতে পারছি না। এতগুলো টাকা ব্যাংকেও তো রাখতে পারতেন। এসব সংস্থার নিবন্ধন দেওয়া হয় ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের জন্য।

সরেজমিন দেখা গেছে, করেরহাট কার্যালয় তালাবদ্ধ। ভেতরে অন্ধকার। জানালার ফাঁক দিয়ে ক্যামেরায় ছবি তুলে দেখা যায়, ভেতরে ফিটফাট ও দামী আসবাবপত্রে পরিপূর্ণতা। গ্রাহকদের মতে, দামী আসবাবপত্র গ্রাহকদের আকর্ষণ করার একটা কৌশল ছিল।

পান ব্যবসায়ী আবু ছালেক, শুটকী ব্যবসায়ী খগেন্দ্র ভৌমিক বলেন, দ্রব্যমূল্যের এমন উর্দ্ধগতিতে একটু লাভের আশায় কিছু টাকা বিনিয়োগ করেছিলাম। টাকা ফেরত দেবে বলে তারা কয়েকদফা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। শনিবারও টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওদের কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না।

সংস্থার চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও করেরহাট শাখা ব্যবস্থাপকের একাধিক মোবাইল ফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া গেছে।

 

 রিপোর্ট »বুধবার, ১৪ ডিসেম্বার , ২০১১. সময়-১০:০৫ pm | বাংলা- 30 Agrohayon 1418
WEBSBD.NET
রিপোর্ট শেয়ার করুন  »
Share on Facebook!Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Seed Newsvine!Reddit!
EDITOR;ABUL HOSSAIN LITON, DHAKA OFFICE; NAHAR MONZILl,BOX NAGAR,DEMRA,DHAKA.OFFICE;MAHESHPUR,JHENAIDAH,BANGLADESH. Copyright © 2011 » All rights reserved http/shesherkhobor.com, MOB: 8801711245104,Email:shesherkhobor@gmail.com 
☼ Provided By  websbd.net  » System  Designed by HELAL .
GO TOP